ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও নিয়ে সতর্ক করলেন শায়খ সুদাইস

সকল সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সকল ধরনের সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ এবং নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে
  • আপলোড সময় : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৪৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৪৩ সময়
সকল সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ  আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সকল ধরনের সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ এবং নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছেন। আজ মানবাধিকার দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে রাজধানীর একটি হোটেলে এক আলোচনা সভায় ভাষণদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সম্প্রতি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা, শিশু হত্যা ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সংঘাতের ঘটনায় চরম দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং একইসাথে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘যুদ্ধ নয়; আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব।’ কাতারের উদ্যোগ ফিলিস্তিনের গাজায় সম্প্রতিক সাময়িক যুদ্ধ বিরতির জন্য কাতার সরকারকে  ধন্যবাদ ও আন্তরিক মোবারকবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। বিশ্বের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল দেশ, মানবাধিকার সংস্থা ও মানবাধিকার কর্মীরা প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন বলেও তিনি আশা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মানবাধিকার শাশ্বত ও সর্বজনীন অধিকার কিন্তু দুঃখজনক হলেও এটা সত্য যে, বিরাজমান বিশ্ব মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেকবান যে কোনো মানুষকেই ব্যথিত করবে। অনেক দেশ ও সংস্থা মানবাধিকারের নামে দ্বিচারিতায় লিপ্ত হচ্ছে।’
রাষ্ট্রপ্রধান সকল মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে মানবাধিকার রক্ষায় সদা সজাগ থাকার ও পরামর্শ দেন। দেশের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে সেখানেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপস্থিতি নিশ্চিত করারও জোর তাগিদ দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র ও দলমত নির্বিশেষে কমিশনকে নির্যাতিতদের পক্ষে এবং নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র সহ সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে মানবাধিকার চর্চা বাড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিশন যাতে শোষিত ও নির্যাতিতদের কাছে আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত হতে পারে সে লক্ষ্যে কমিশনকে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং নির্যাতনকারীদের শাস্তি দানে সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।
  
বাংলাদেশে মানবাধিকার সংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা ও প্রকাশনা বৃদ্ধি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের উপরে সার্বক্ষণিক নজরদারি বৃদ্ধি, মানবাধিকার বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিশনকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার কথাও বলেন। রাষ্ট্রপ্রধান বলেন,‘মানবাধিকার সুরক্ষায় পারস্পরিক সংলাপ, সভা, সেমিনার, ওয়ার্কশপ শিক্ষা ও প্রচারসহ সহযোগিতা বৃদ্ধির সকল কার্যক্রমে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ও মতাদর্শের ব্যক্তি, যেমন-মসজিদের ইমাম, ধর্মগুরু, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে মানবাধিকার প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত করা গেলে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরো উন্নতি হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার