ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে মেসিকে ‘বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস পাহাড়ি ঢল ঠেকাতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী তারেক রহমানকেও জেআইসি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর জামায়াত-এনসিপি নন-ইস্যুকে ইস্যু করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় : খায়রুল কবির খোকন হরমুজ থেকে যেভাবে বছরে ১৪ হাজার কোটি ডলার আয় করতে পারে ইরান! টাকা-পয়সা নিয়ে দ্বন্দ্ব, গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু নাটোরে বিশ্বমানের পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে: পর্যটনমন্ত্রী ফাঁকা সড়কে দুই বাসই দ্রুতগতিতে চলছিল, চালকদের চোখে ছিল ঘুম: পুলিশ নাটোরে পর্যটনমন্ত্রীর পথসভা থেকে পিস্তলসহ যুবক আটক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতির নয়, সংশোধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, পরিবর্তন ও প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এই আইনটি সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ হিসেবে
  • আপলোড সময় : ৮ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৮:৫৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৮:৫৮ সময়
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতির নয়, সংশোধন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন,

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, পরিবর্তন ও প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এই আইনটি সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ হিসেবে চালু করা হবে। 

আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। 
বৈঠক শেষে সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

আরও খবর পড়ুন ঃ

বদলে গেল টুইটারের লোগো আর দেখা যাবে না নীল পাখি

টুইটারে থাকবে না কোন নীল পাখি


তিনি জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেকগুলো ধারা পরিবর্তন করে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। নতুন আইন পাস হলে আগেরটি বাতিল হবে।
মাহবুব হোসেন বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার মনে করেছে সাইবার অপরাধ অনেক হচ্ছে। তাই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অনেকগুলো ধারাকে সংযুক্ত করে নতুন আইনটি করা হয়েছে। এটায় আগের আইনের পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি জানান, নতুন আইন অনুযায়ী একটি সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি থাকবে। সাজার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনে জেলের ওপরে ফোকাসটা বেশি ছিল। এখানে এসে জেলের সাজার পরিমাণটা কমানো হয়েছে কিন্তু আর্থিক জরিমানার অংশ রাখা হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মাহবুব হোসেন বলেন, এটি নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে। এটি আজ উপস্থাপিত হয়েছে মন্ত্রিসভায়। আলোচনার মাধ্যমে লেজিসলেটিভ (আইনপ্রণয়ন) বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে। লেজিসলেটিভ বিভাগ ভেটিং করে তারপর তারা ফাইনাল করে দেবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সালে অনুমোদনের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়েছে। আমাদের পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা হয়েছে। অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সারাবিশ্বে আইসিটি সংক্রান্ত বিষয় ছিল। সেটির কিন্তু অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আইসিটি সংক্রান্ত বিশ্বের যে ব্যাপ্তি কিংবা ধরন, বেশ পরিবর্তন এসেছে। সেসব কিছুকে বিবেচনায় রেখে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইন কার্যকর করার সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত হয়ে যাবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, একটা আইন করা হয়েছে। সেটা প্রয়োগ করা হয়েছে। এখন সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, সেজন্য সরকার মনে করছে সাইবার নিরাপত্তার জন্য একটা আইন দরকার। সে আইন করতে গিয়ে আগের আইন থেকে কিছু ধারা, কিছু বিষয় এখানে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ আইনের আওতায় একটি এজেন্সি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, নাম হবে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি। সাইবার সংক্রান্ত কিছু অপরাধকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অপরাধের জন্য শাস্তির মাত্রা ঠিক করা হয়েছে। আগের আইনের কাঠামোতে মূলত জামিন অযোগ্য ধারা অনেক বেশি ছিল। এখানে এসে বেশিরভাগকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।
এজেন্সির কাজ সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগে ছিল ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি। নতুন সংস্থা হবে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি। এটার ক্ষমতা ও দায়িত্ব বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এছাড়াও মন্ত্রীসভা ১২ ডিসেম্বরকে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের পরিবর্তে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের অনুমোদন দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আমরা ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ পালন করে থাকি। ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারনা থেকে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের অভিযাত্রা শুরু করেছি। সে প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে, আমরা ১২ ডিসেম্বর যে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন করেছি, সেই নাম পরিবর্তন করে একই তারিখে স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস উদযাপন করব। মন্ত্রিসভা সেটি অনুমোদন দিয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পরকীয়ার অভিযোগে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

পরকীয়ার অভিযোগে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া