ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মিয়ানমারে জেডখনিতে ভূমিধস, ২৫ মরদেহ উদ্ধার

মিয়ানমারের একটি অনিয়ন্ত্রিত জেডখনিতে ভূমিধসের পর উদ্ধারকারীরা ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আরও ১৪ জন নিখোঁজ
  • আপলোড সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৯:৪৭ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৯:৪৭ সময়
মিয়ানমারে জেডখনিতে ভূমিধস, ২৫ মরদেহ উদ্ধার ছবি : সংগৃহীত
মিয়ানমারের একটি অনিয়ন্ত্রিত জেডখনিতে ভূমিধসের পর উদ্ধারকারীরা ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আরও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) এই তথ্য জানিয়েছেন জরুরি কর্মীরা । 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং এরই একপর্যায়ে গত রোববার উত্তর কাচিনের হাপাকান্ট শহরের বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূমিধসের এই ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে জেড মাইনিং বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত এই শিল্পটি বেশ ঘন ঘন শ্রমিকের মৃত্যুতে জর্জরিত। ২০২০ সালের ভূমিধসের পর একই এলাকায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার একজন উদ্ধারকর্মী এএফপিকে বলেছেন, আমরা আজ মোট ২৫টি মৃতদেহ পেয়েছি। তবে এখনও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং নিখোঁজ এসব মানুষকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা বুধবারও অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধারকারীদের মতে, খনির খননের ফলে প্রায় ১৫০-১৮০ মিটার (৫০০-৬০০ ফুট) উঁচু মাটির একটি বিশাল স্তূপ প্রচণ্ড বৃষ্টির পর আলগা হয়ে যায় এবং ধসে পড়ে। অবশ্য বর্ষাকালে খনির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। তবে ভূমিধসে আটকা পড়া ব্যক্তিরা স্থানীয় বাসিন্দা এবং কাদা থেকে মূল্যবান কিছু পাওয়ার আশায় তারা সেখানে গিয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চালীয় প্রদেশগুলো প্রাকৃতিক সম্পদে খুবই সমৃদ্ধ। স্বর্ণ ও মূল্যবান পাথরের বেশ কয়েকটি খনি ও দামি কাঠ রয়েছে এখানকার অরণ্যগুলোতে। কিন্তু এই সম্পদের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ কার্যত প্রায় নেই। খনিজ ও বনজ সম্পদ আহরণে প্রায় কোনও সরকারি নির্দেশনা মানা হয় না।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?