ক্রিসমাসের দীর্ঘ ছুটি শেষে পাম বিচ থেকে দেশে ফেরার সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নে গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে বিস্মিত হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৪ জানুয়ারি তিনি বলেন, “গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা পরে ভাবব।” তবে বাস্তবে দেখা যায়, অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে শুরু হওয়া গ্রিনল্যান্ড দখলের ভাবনা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক সংকটে রূপ নিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে এই প্রচেষ্টার গতি বাড়ায় ইউরোপীয় মিত্ররা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন জাতীয় নিরাপত্তার কারণে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে মনে করে, তবে কীভাবে তা অর্জন করা হবে—সে বিষয়ে প্রশাসনের ভেতরেই মতভেদ রয়েছে। সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় থাকলেও, অনেক উপদেষ্টা শুল্ক আরোপের হুমকিকে আলোচনার কৌশল হিসেবে ব্যবহারের পক্ষে। হোয়াইট হাউস জানায়, প্রেসিডেন্ট যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে প্রশাসন প্রস্তুত। অন্যদিকে, ইউরোপীয় নেতারা এখনও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশা করছেন। ন্যাটোর পক্ষ থেকেও বিদ্যমান চুক্তি পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
৯ জানুয়ারি ট্রাম্প বলেন, “গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমরা কিছু করবই, কারণ তা না করলে রাশিয়া বা চীন সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে।” এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন