ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে অমিল থাকায় তরুণকে থাপ্পড় দিলেন ইউএনও অসৌজন্যমূলক আচরণ: আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি শান্তর পর লিটনের ফিফটি, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ লেবানন-ইসরায়েলের নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও এক মাস বাড়ানোর প্রস্তাব ঢাকা থেকে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী যাচ্ছে ইরানে দেশের দুই বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ ভুয়া ভোট ও সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে চলছে পশ্চিমবঙ্গের ভোটগ্রহণ জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যার ঘটনায় ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার ডেটিং সাইটে ‘সুগার ড্যাডি’ খুঁজছেন ট্রাম্প প্রশাসন কর্মকর্তা

ঢাবি ছাত্রকে মারধরে ১০ ছাত্রের নাম উল্লেখ করে মায়ের এজাহার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ঢাকা
  • আপলোড সময় : ১০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:১৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:১৩ সময়
ঢাবি ছাত্রকে মারধরে ১০ ছাত্রের নাম উল্লেখ করে মায়ের এজাহার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী রাহিদের মা পারভীন আক্তার এজাহারটি জমা দেন। পাশাপাশি আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান এবং পরিদর্শক (অপারেশনস) খোকন মিয়া অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি।


এজাহারে অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন—মো. সাইফুল্লাহ, হাসিব আল ইসলাম, সাঈদ আফ্রিদী, রিয়াদ মাল, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মো. সাকিব, ফোরকান উদ্দীন মাহি, বায়েজিদ হাসান, হিমেল ও সজীব হোসেন। রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। সোমবার ভোররাতে তাঁকে মারধর করে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।


এজাহারে বলা হয়েছে, প্রথমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের সামনে এবং সবশেষ শাহবাগ থানার সামনে রাহিদকে মারধর করা হয়। হামলাকারীরা লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে রাহিদের ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায় এবং বাঁ কানে গুরুতর আঘাত লাগে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় রাহিদের একটি স্মার্টফোন, নগদ ৫ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল ও এটিএম কার্ড নিয়ে নেওয়া হয়। পরে শাহবাগ থানা-পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় রাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের একজন মো. সাইফুল্লাহ দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় রাহিদ হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিভাগ ও হল থেকে তাঁকে বয়কট করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রাহিদের বিরুদ্ধে একটি গ্যাং পুনর্গঠনের অভিযোগও তুলেছেন।


অন্যদিকে রাহিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন এবং নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে ক্লাস করছেন। উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৪০৩ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলেও সেই তালিকায় রাহিদ খানের নাম পাওয়া যায়নি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজধানীতে এবার কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৬টি

রাজধানীতে এবার কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৬টি