ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান অবশেষে বিয়ে করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো শেখ হাসিনা ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ পাঁচ সরকারি দপ্তরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের নির্দেশ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনা বাড়ছে মাধ্যমিকের পাঠদানে গণিতে ৮৭ ও ইংরেজিতে ৮৪ শতাংশ শিক্ষক ভিন্ন বিষয়ে ডিগ্রিধারী ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম, ভ্যাপসা গরমে বাড়তে পারে অস্বস্তি হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলা, জাহাজ অচল সাভারে একটি বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য আটক, বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের দিকে ছুটছে জ্বালানি তেলের দাম

আতিয়ারা আর কতকাল মরবে!

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের বেতকান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত একটি কাঁচা সড়ক এখন স্থানীয়দের জন্য যেন মৃত্যুফাঁদে
  • আপলোড সময় : ১২ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৪ সময়
আতিয়ারা আর কতকাল মরবে!

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের বেতকান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত একটি কাঁচা সড়ক এখন স্থানীয়দের জন্য যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বর্ষার বৃষ্টিতে হাঁটুসমান কাদায় ডুবে থাকা প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক পার হতে গিয়ে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো মানুষ। আর এই দুর্ভোগের নির্মম শিকার হয়েছেন ২৪ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা আতিয়া বেগম।স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রসব ব্যথা উঠলে বৃষ্টির রাতে আতিয়াকে ভ্যানে করে উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বেতকান্দি থেকে উধুনিয়া পর্যন্ত কাঁচা সড়কে বারবার আটকে যায় ভ্যানের চাকা। তীব্র যন্ত্রণা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টা পর হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আতিয়ার বাবা আকবর আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “রাস্তা যদি ভালো থাকত, তাহলে হয়তো মেয়েটাকে বাঁচানো যেত। কয়েকজন মিলে ভ্যান ঠেলে নিয়েও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারিনি।” স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার পরও বাগমারা, বেতকান্দি, সুবৈদ্যমরিচ, গজাইল, দিঘলসহ অন্তত ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র এই সড়কটি এখনো পাকা হয়নি। অথচ এই পথের মধ্যেই রয়েছে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাটবাজার ও কবরস্থান।


প্রবীণ বাসিন্দা খাদেম মিয়া জানান, প্রতি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা পাকাকরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে বর্ষাকালে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। এদিকে কৃষকরাও পড়েছেন বিপাকে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য বাজারে নিতে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে না পারায় অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।


বাগমারা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “বর্ষায় কাদা আর গ্রীষ্মে ধুলার কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। দ্রুত সড়কটি পাকা করা প্রয়োজন।” এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল্লাহ জানান, এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি তাদের জানা আছে এবং সড়ক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেন, লিখিত আবেদন পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে

অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে