ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু
  • আপলোড সময় : ৭ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:২০ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:২০ সময়
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন।


আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করতে হবে। অর্থদণ্ড আদায় সম্ভব না হলে আসামিদের সম্পত্তি নিলামের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে।


রায় ঘোষণার আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসায় শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং আলামত নষ্টের অভিযোগ আনা হয়।


তদন্ত শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার শুনানিকালে একাধিক সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।


আদালত রায়ে বলেন, শিশু রামিসার প্রতি সংঘটিত অপরাধ অত্যন্ত জঘন্য ও নৃশংস। উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার