ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

প্রবেশ করল মৌসুমি বায়ু, বর্ষাকালের সূচনা

ছয়দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে বর্ষাকাল। আষাঢ় মাসের আগমনের আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শেষ প্রান্ত টেকনাফ দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রবেশ
  • আপলোড সময় : ৮ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
প্রবেশ করল মৌসুমি বায়ু, বর্ষাকালের সূচনা

ছয়দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে বর্ষাকাল। আষাঢ় মাসের আগমনের আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শেষ প্রান্ত টেকনাফ দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রবেশ করেছে বর্ষাবাহী মৌসুমি বায়ু। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ দেরিতে এসেছে এই সঘন মেঘমালাবাহী বায়ুপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত ৩১ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে। এবার চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রবেশ করলেও পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়তে মধ্য জুন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।


আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১২ বা ১৩ জুন থেকে কিছুটা বর্ষার বৃষ্টির আমেজ শুরু হতে পারে। তবে তার আগে দেশের ওপর ভ্যাপসা গরম ও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি সক্রিয় না হওয়া পর্যন্ত তাপপ্রবাহ কমবে না। বরং আগামী ৮ বা ৯ জুন থেকে আবারও তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হতে পারে।


আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্তমানে বর্ষাবাহী মৌসুমি বায়ু ও পশ্চিমা লঘুচাপের মধ্যে একটি প্রভাবের লড়াই চলছে। এই কারণে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে যেতে পারে, বিশেষ করে ৯ থেকে ১০ জুনের মধ্যে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দুই বায়ুপ্রবাহের এই দ্বন্দ্বের কারণে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি সক্রিয় হতে দেরি হচ্ছে। ফলে সারা দেশে বর্ষার পূর্ণ প্রভাব পড়তে চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


তিনি আরও জানান, এবার বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এল নিনো পরিস্থিতির কারণে এই পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুন থেকে সেপ্টেম্বর সময়টাই দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সময়। এর মধ্যে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ এবং জুন মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়।


এদিকে টানা কয়েক দিনের তাপপ্রবাহের পর ইতোমধ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে, যা কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে এই বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী শীতলতা দিচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ুর আগমন কৃষির জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে আমন ধানের বীজতলা ও চাষাবাদের জন্য এই বৃষ্টিপাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে সবজি খেতের ক্ষতি এড়াতে কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার