ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

কর-শুল্ক প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর আহ্বান মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে কর ও শুল্ক প্রশাসনে স্বচ্ছতা, পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন
  • আপলোড সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
কর-শুল্ক প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর আহ্বান মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে কর ও শুল্ক প্রশাসনে স্বচ্ছতা, পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতের বিকাশে ধারাবাহিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সোমবার ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ—আইসিসি বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইসিসি বাংলাদেশের সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভার বিষয়টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যনীতির প্রেক্ষাপটে দেশ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তুত থাকা জরুরি। একই সঙ্গে শুল্কবহির্ভূত বাধা দূর করা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত পরিবেশ আরও শক্তিশালী করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন। সভায় আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।


তিনি জানান, সম্প্রতি সম্পন্ন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য ও সেবা আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়, কৃষিপণ্য ও তুলা আমদানি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। চুক্তি নিয়ে মতভেদ থাকলেও এর মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।


তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ ব্যবসা ও ভোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।  এদিকে তৈরি পোশাক খাতের প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, পণ্যের উৎস শনাক্তকরণ এবং টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের তুলার চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ফিকির সভাপতি রূপালী চৌধুরী বলেন, উন্নয়নশীল ও উন্নত—উভয় দেশেই সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো–সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর হলে উভয় দেশই লাভবান হবে।


বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক বলেন, বাংলাদেশ এখনো তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সোর্সিং গন্তব্য। শ্রমমান, স্বচ্ছতা ও টেকসই উৎপাদন উন্নত হলে বৈশ্বিক বাজারে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে। বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, কাঁচামাল ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বনির্ভরতা অর্জনে সময় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববাজারে ম্যান-মেইড ফাইবারভিত্তিক পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, তাই এই খাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার