ইরানের দুই শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত সব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল। দেশটির দাবি, বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এসব তথ্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অনলাইনের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো ‘ভুয়া তথ্য’ ও ‘বাস্তবতার বিকৃতি’ ছাড়া কিছু নয়। তাদের ভাষ্য, শান্তি আলোচনা চলাকালে ইরানি আলোচকদের হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এর আগে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলার সময় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে উদ্বেগ ছিল। এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে আলোচনার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক সংঘাতের সময় ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর কৌশল নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ছিল। এতে দেশটির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নামও উঠে আসে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার মতে, ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে কোনো হামলা সংঘটিত হলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতো। এ কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছিল। এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এক হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। একটি গোপন স্থাপনায় বৈঠক চলাকালে হামলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন