ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাইভেট জেট ব্যবহার করে খেলা দেখতে গিয়ে পৃথিবীর বিশাল ক্ষতি করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট ‘আর্জেন্টিনা অনেক ফাউল করেও সহজে পার পেয়ে গেছে’ সময় টিভির চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে মামলা স্থগিত করল হাইকোর্ট মার্শাল আর্টের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ ও উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তারা মেসি আমার বন্ধু, সে দলের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে- বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রোনালদিনহো নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়: বিএনপি বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ২০২২ সালে ১৪০ কোটির দুর্নীতি, এবারে খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের বক্স থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার রেকর্ড পাস আর নিখুঁত নিশানায় স্পেনের মাঝমাঠের ‘অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক’ রদ্রি ব্রাউজারে ফিরেছে ফেসবুক

এক যুগে ঝরে পড়েছে অর্ধেক শিক্ষার্থী

দেশে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপ ও পরিসংখ্যান
  • আপলোড সময় : ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:১৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:১৭ সময়
এক যুগে ঝরে পড়েছে অর্ধেক শিক্ষার্থী

দেশে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপ ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত এক যুগে প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ পরিস্থিতির পেছনে বাল্যবিবাহ, আর্থিক সংকট এবং কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়াকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, মেয়েদের ক্ষেত্রে অল্প বয়সে বিয়ে এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে জীবিকার তাগিদে শ্রমবাজারে প্রবেশ শিক্ষাজীবন বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারের অনেকেই শিক্ষা ব্যয় বহন করতে না পেরে সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ করে কাজে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। করোনা মহামারির দীর্ঘ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধও ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনলাইন শিক্ষার সুযোগ থাকলেও প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সুবিধার অভাবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পাঠদানের বাইরে থেকে যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরও তাদের অনেকেই আর শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসেনি।


তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাধ্যমিক পাস করার পর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হয়নি। আবার ভর্তি হলেও অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। ফলে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ আসন ফাঁকা পড়ে আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক জরিপে দেখা গেছে, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ বিয়ের কারণে পড়াশোনা ছেড়েছে। এছাড়া চাকরি বা কাজে যুক্ত হওয়া, আর্থিক অসচ্ছলতা, পড়াশোনায় অনাগ্রহ এবং মহামারির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না ফেরাও উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।


শিক্ষাবিদরা মনে করেন, শুধু উপবৃত্তি বা বিনামূল্যে বই বিতরণ যথেষ্ট নয়। শিক্ষা ব্যয় কমানো, বাল্যবিবাহ রোধ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়তা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার মাধ্যমে ঝরে পড়ার হার কমানো সম্ভব। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা