ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান পাটওয়ারী’, দাবি মেঘনা আলমের অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন মাশরাফি বাফুফের সঙ্গে কোচের পরিকল্পনা মিলছে না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ‘এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়’ ইরান যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষতি ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি, সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

দেশের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অবৈধ নিয়োগ এবং বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা
  • আপলোড সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

দেশের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অবৈধ নিয়োগ এবং বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। তদন্তে রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ এবং নরসিংদীর আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসায় ব্যাপক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজে প্রায় ৫ কোটি ১০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, ঢাকা সিটি কলেজে ৪ কোটি টাকা এবং আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসায় ১ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং অনিয়মের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।


মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের তদন্তে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়, কর ফাঁকি, বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত বেতন-ভাতা প্রদান এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে কলেজটির অধ্যক্ষের নিয়োগ প্রক্রিয়াকেও বিধিসম্মত নয় বলে উল্লেখ করেছে তদন্ত দল। ঢাকা সিটি কলেজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া ১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকে অর্থ জমা না দিয়ে নগদ ব্যয়, ভ্যাট ও কর পরিশোধে অনিয়ম এবং বিধিবহির্ভূতভাবে ভাতা গ্রহণের অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।


অন্যদিকে আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসার তদন্তে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, নিয়োগ বিধি লঙ্ঘন, অবৈধভাবে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সরকারি অর্থ ফেরত নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এদিকে গত কয়েক মাসে রাজধানীসহ দেশের প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তদন্ত চালিয়েছে ডিআইএ। এর মধ্যে প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান