কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে ঘোষিত দেশব্যাপী সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। চলমান গ্যাস–সংকট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মালিকদের সংগঠন। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা জানান, মহেশখালীর ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে গেলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারত। তাই আগামী ৩০ জুলাইয়ের জন্য নির্ধারিত সারা দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তারা বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনগণের কথা বিবেচনা করেই আপাতত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে কমিশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি অমীমাংসিত থাকায় সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি কার্যকর করা হবে।
সংগঠনের নেতাদের দাবি, প্রায় এক যুগ আগে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে যে কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা এখনকার বাস্তবতার সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ সময়ে শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রপাতির মূল্য, ব্যাংক খরচ, ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান চেয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন