ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে স্থিতিশীল মুদ্রা বাংলাদেশি টাকা

গত এক বছরে দক্ষিণ এশিয়া ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থিতিশীল মুদ্রা হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশি
  • আপলোড সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪ সময়
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে স্থিতিশীল মুদ্রা বাংলাদেশি টাকা

গত এক বছরে দক্ষিণ এশিয়া ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থিতিশীল মুদ্রা হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে তুলনামূলকভাবে আরও ভালো অবস্থানে ছিল কম্বোডিয়ার মুদ্রা, যার অবমূল্যায়ন হয়েছে শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে, এ অঞ্চলের প্রধান কয়েকটি দেশের মুদ্রার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে ভারতের রুপির। এক বছরে ডলারের বিপরীতে এর মূল্য কমেছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এছাড়া শ্রীলঙ্কার রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ, ফিলিপাইনের পেসোর ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়ার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।


অপরদিকে, চীনের ইউয়ান সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান দেখিয়েছে। ডলারের বিপরীতে এর মূল্য বেড়েছে ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। একই সময়ে পাকিস্তানের রুপিও সামান্য শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত অনুযায়ী বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালুর পর মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বাজার তদারকির ফলে টাকার অবমূল্যায়ন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।


এছাড়া রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এক বছর আগে ছিল ২৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক বছরে ডলারের বিনিময় হার সাধারণত ১২২ থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিনিময় হারে সামান্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩ দশমিক ৮১ টাকা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা