ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজে পার্টি ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদকে চাকরিচ্যুত কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী তাহসিফের মৃত্যুর আগে বান্ধবী ও দীপকে নিয়ে বারে দেড় ঘণ্টা অবস্থান শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে ঘিরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত বেশ কয়েকজন ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই আসলে প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ জানাই’ আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার নেমেছে ৪৪.৮৪ শতাংশে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন

ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস

ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের আলোচিত ও বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা এবার পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন
  • আপলোড সময় : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস

ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের আলোচিত ও বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা এবার পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল’ পাসের মাধ্যমে ধারাটি আইন থেকে বাদ দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। একই সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনও সংসদে উপস্থাপন করা হয়।


সংশোধিত আইনে ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা সম্পূর্ণভাবে রহিত করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, সংকটে থাকা তফশিলি ব্যাংক পুনর্গঠন, মূলধন ও তারল্য সংকট মোকাবিলা এবং ব্যাংক অবসায়ন না করে সরকারি অর্থের ওপর চাপ কমানোর লক্ষ্যেই বাজারভিত্তিক কাঠামো হিসেবে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। তবে আইন কার্যকর হওয়ার পর ধারাটির আওতায় অংশ নিতে প্রয়োজনীয় কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্ত কোনো ব্যক্তি, শেয়ারহোল্ডার বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী পূরণ করতে পারেননি। ফলে ধারাটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন না হওয়ায় এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


নথি অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৈরি মূল ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশে ১৮(ক) ধারা ছিল না। পরে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তরের সময় নতুন করে ধারাটি যুক্ত করা হয়। এই ধারার অধীনে কোনো ব্যাংককে রেজোল্যুশন প্রক্রিয়ায় নেওয়ার আগে আগের শেয়ারহোল্ডার বা উপযুক্ত ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যাংকের সম্পদ, দায় ও শেয়ার পুনর্গ্রহণের আবেদন করার সুযোগ পেতেন।


কিন্তু আইন পাসের পর থেকেই আর্থিক খাতে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। বিশেষ করে সংকটে থাকা পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের প্রক্রিয়ায় বিতর্কিত সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা দেখা দেয়।শেষ পর্যন্ত কোনো যোগ্য বিনিয়োগকারী ধারাটির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে না পারা এবং এ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপটে ১৮(ক) ধারা পুরোপুরি বাতিল করল সরকার।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ