ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম ফেসবুক ভিডিওতে সংবাদপত্র ছেঁড়ার ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন যুবদলের ব্যানার উড়ে গিয়ে পড়ল আসামে, চিন্তায় ভারত পুলিশ ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে রণক্ষেত্র মিরপুর-১০, পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হতাশাজনক হারে ফাইনাল খেলা নিয়ে শঙ্কা স্ত্রীকে না জানিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করা কি জায়েজ সরকার ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করলে, নিজের দলের একটা লোককেও খুঁজে পাবে না: হাসনাত মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করার আগ্রহ ট্রাম্পের জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৬০

এক রাতেই ধসে পড়ল একের পর এক সোনার খনির সুড়ঙ্গ। ভেতরে তখন কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। পরদিন সকাল
  • আপলোড সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৫:৩৫ সময়
সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৬০

এক রাতেই ধসে পড়ল একের পর এক সোনার খনির সুড়ঙ্গ। ভেতরে তখন কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। পরদিন সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হয়েছে অন্তত ৬০টি মরদেহ। তবে মাটির নিচে এখনো আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা নিশ্চিত নয়। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সুদানের পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের এল-নাহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে। একের পর এক সুড়ঙ্গ ধসে পড়তে শুরু করলে খনির ভেতরে থাকা শ্রমিকরা আটকা পড়েন। পরদিন সকাল পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৬০টি মরদেহ বের করে আনতে সক্ষম হন।


দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা জানান, রাতভর সহকর্মীদের সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন তারা। তবে তাদের হাতে ছিল সোনা উত্তোলনের সাধারণ সরঞ্জামই। ভারী পাথর ও মাটি সরাতে গিয়ে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। আরেক শ্রমিক আল-আমিন সুলাইমান জানান, আল-জারা খনির সুড়ঙ্গগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি। একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে পাশের সুড়ঙ্গও ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এবারও ঠিক সেটিই ঘটেছে। এখনো অনেকে মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন এবং তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।


উদ্ধারকারীরা বলছেন, দ্রুত ধ্বংসস্তূপ সরাতে ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। কিন্তু পশ্চিম কর্দোফান বর্তমানে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত চলছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে দেশটির অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মসংস্থানের সংকট ও দারিদ্র্যের কারণে অনেক মানুষ জীবিকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণভাবে সোনা উত্তোলনের কাজে জড়িয়ে পড়েছেন।


দেশটির সোনা শিল্পের বড় একটি অংশই পরিচালিত হয় ছোট ও অনানুষ্ঠানিক খনিতে। আল-জারার মতো পরিত্যক্ত বা অনিরাপদ খনিতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ করেন শ্রমিকরা। ফলে সুড়ঙ্গ ধসের মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকি সবসময়ই থাকে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর এখন মূল প্রশ্ন—মাটির নিচে আর কতজন শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন এবং তাদের মধ্যে কেউ জীবিত আছেন কি না। উদ্ধারকাজ যত এগোবে, ততই স্পষ্ট হবে এই দুর্ঘটনায় প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব