ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির আওতায় স্থানীয়ভাবে সরবরাহ করা পণ্যের বিল পরিশোধে এবার নতুন সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না হলে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক ইডিএফ ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধার মুখে পড়তে পারেন। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির আওতায় স্থানীয় সরবরাহের কোনো বিল সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বকেয়া থাকতে পারবে।
২৭০ দিনের বেশি সময় বিল বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ ঋণের আবেদন করা যাবে না। অর্থাৎ, ইডিএফ অর্থায়নের আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানোর আগে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় সরবরাহের বিলের বকেয়া পরিস্থিতি যাচাই করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগের দুটি নির্দেশনার মধ্যে সামঞ্জস্য আনতেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৩ জুলাইয়ের নির্দেশনায় ইডিএফ ঋণের আবেদন পাঠানোর আগে ডিমড এক্সপোর্টারদের স্থানীয় সরবরাহের বিল বকেয়া আছে কি না, তা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছিল।
অন্যদিকে গত ১৩ আগস্টের নির্দেশনায় ব্যাক-টু-ব্যাক আমদানি এলসি উস্যান্স ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মেয়াদে খোলার সুযোগ দেওয়া হয়। নতুন নির্দেশনায় এই দুই বিষয়কে একই কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে। ফলে এখন যোগ্য উৎপাদনকারীরা বাল্ক আমদানির জন্য ইডিএফ অর্থায়নের আবেদন করলে স্থানীয়ভাবে সরবরাহ করা পণ্যের বিলের বকেয়া অবস্থাও যাচাই করা হবে। ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিপরীতে স্থানীয় সরবরাহের কোনো বিল ২৭০ দিনের বেশি বকেয়া না থাকলেই ইডিএফ অর্থায়নের আবেদন করা যাবে।
তবে ইডিএফ ঋণ পরিচালনা সংক্রান্ত আগের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নিয়মটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জানিয়ে দিতে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন