রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ—তবে এই ঘটনায় কোনোভাবেই আতঙ্কিত নয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর রয়েছে। মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন এবং শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
রায় ঘোষণার পর দুপুরের দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান প্রবেশপথের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বুধবার নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে সবসময়ই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। এর কিছু অংশ দৃশ্যমান, আবার কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে না। তাই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে তারা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না বলেও জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল এলাকায় পোশাকধারী নিরাপত্তাকর্মীদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এমন কোনো ঘটনার কারণে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে নিরাপত্তাজনিত বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। এদিকে সাত আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ে ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনই বর্তমানে পলাতক বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
রায়কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের পর এখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই কঠোর রয়েছে এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে তারা আমলে নিচ্ছেন না।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন