ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারকে দোষ দেই না, নানা খরচে সরকার বিপর্যস্ত: রুমিন ফারহানা অপ্রতীম হত্যাকাণ্ড: নিরাপত্তা দিতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি সাদিক কায়েমের ‘কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন করার মূল্য সরকারকে দিতে হবে’ চীনের নৌবাহিনীর জাহাজ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও নৌবাহিনী প্রধানের এবার সচিবালয়ের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ অপ্রতীম হত্যা: তিন ‘ঘাতকের’ সঙ্গে মিলল সেই আইফোনও কুমিল্লায় ঝটিকা মিছিল, আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার শাহবাগের তিন নেতার মাজারের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে নেপালের তদন্ত শুরু আটকের আগে দেওয়া ‘সন্দেহভাজন’ আনাসের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

রাজধানী জুড়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ২০০টির বেশি চেকপোস্ট

ককটেল বিস্ফোরণ আর বাসে অগ্নিসংযোগের পর বদলে গেছে রাজধানীর সড়কের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড, থামছে একের
  • আপলোড সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
রাজধানী জুড়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ২০০টির বেশি চেকপোস্ট

ককটেল বিস্ফোরণ আর বাসে অগ্নিসংযোগের পর বদলে গেছে রাজধানীর সড়কের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড, থামছে একের পর এক যানবাহন, চলছে কাগজপত্র ও যাত্রীদের যাচাই। সন্দেহ হলেই খুলে দেখা হচ্ছে গাড়ি ও লাগেজ। মোটরসাইকেল থামিয়েও চালকদের করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ। রাজধানীজুড়ে এখন এমন বাড়তি নিরাপত্তার দৃশ্যই চোখে পড়ছে।


শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর নগরীর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। মালিবাগ থেকে আগারগাঁও, মহাখালী থেকে যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার থেকে মগবাজার—রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকার ২০০টির বেশি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।


চেকপোস্টগুলোতে যানবাহন থামিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। কোনো গাড়ি বা ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে আলাদা করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে মোটরসাইকেলকেও। পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করার পাশাপাশি মোটরসাইকেল ব্যবহার করে যাতে কোনো ধরনের নাশকতা বা অপরাধ সংঘটিত না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।


শুধু চেকপোস্ট নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে মোবাইল টহল, পায়ে হেঁটে টহল এবং মোটরসাইকেল টহল। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জোরদার করা হয়েছে পিকেট ডিউটিও। নগরীর নিরাপত্তায় থানা পুলিশের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছে গোয়েন্দা পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এবং এপিবিএনের সদস্যরা। নাশকতা ও বড় ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।


পুলিশের ভাষ্য, রাজধানীর প্রতিটি বিভাগকে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও বাড়ানো হবে। ফলে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের পর রাজধানীর প্রবেশপথ থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে তৈরি হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাবলয়। ব্যারিকেড, চেকপোস্ট, যানবাহনে তল্লাশি আর বাড়তি টহলের মধ্যেই স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে ঢাকার জনজীবন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করবে দুদক