ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও নিয়ে সতর্ক করলেন শায়খ সুদাইস ইউরোপের স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় ঐক্য রেখে দল শক্তিশালী করুন, বিতর্কে জড়াবেন না ইতিহাসের পাতায় ফ্লিকের বার্সা

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ

একটি শিশুর স্বপ্ন থেমে যেতে পারে বাল্যবিয়ের কারণে, হারিয়ে যেতে পারে শিক্ষার সুযোগ, সংকুচিত হয়ে আসতে পারে নিজের
  • আপলোড সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ

একটি শিশুর স্বপ্ন থেমে যেতে পারে বাল্যবিয়ের কারণে, হারিয়ে যেতে পারে শিক্ষার সুযোগ, সংকুচিত হয়ে আসতে পারে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথ। অথচ যথাযথ সুযোগ ও অধিকার পেলে কন্যাশিশুরাই গড়ে তুলতে পারে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ। এই বার্তা সামনে রেখে আজ ১১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।


২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য হলো, ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’। এবারের প্রতিপাদ্যে কন্যাশিশুদের সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কন্যাশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। শুধু বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বরং প্রতিটি মেয়ের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহিত করাও প্রয়োজন।


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর একটি প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কন্যাশিশুদের প্রতি বৈষম্য, বাল্যবিয়ে, শিক্ষার সুযোগের অভাব এবং নির্যাতনের মতো সমস্যা এখনো উদ্বেগের কারণ। এসব বাধা দূর করতে পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একটি মেয়েকে তার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ দেওয়া মানে শুধু একজন ব্যক্তির জীবন বদলে দেওয়া নয়, বরং পুরো সমাজের উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা।


আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে সভা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে কন্যাশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, প্রতিটি মেয়ের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে সে ভয় ও বৈষম্য ছাড়াই বেড়ে উঠতে পারবে, নিজের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।


কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষা কেবল একটি দিবস পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বাল্যবিয়ে বন্ধ করা, শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা ও সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে সারা বছর। কারণ, প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন দেখার অধিকার আছে, আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার