ঢাকা | |

সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ শুরু

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণসহ সাত দফা দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
  • আপলোড সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়
সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ শুরু

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণসহ সাত দফা দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু হয়েছে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াগামী দীর্ঘ লংমার্চ। প্রায় ৪১০ কিলোমিটারের এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।


শনিবার ৩১ অক্টোবর সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। এর আগে আয়োজিত উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।


উদ্বোধনী বক্তব্যে নেতারা বলেন, জনগণের দাবি বাস্তবায়নে এই লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানান তারা। ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ বন্ধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গণহত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা।


আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা থেকে শুরু হওয়া এই লংমার্চ শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে খুলনায় প্রবেশ করবে। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হবে কর্মসূচি। পথে ছয়টি স্থানে পথসভা আয়োজনের কথা রয়েছে। এর মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা, বাগেরহাটের ফকিরহাট, খুলনা মহানগরী, ফুলতলা, যশোরের মুড়লী এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল উল্লেখযোগ্য। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ায় সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


দলীয় নেতাদের দাবি, সরকারের ব্যর্থতা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং জনগণের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরতেই এই কর্মসূচি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের দুটি কর্মসূচির পর এটি ১১ দলীয় ঐক্যের তৃতীয় দফার লংমার্চ এবং দূরত্বের বিবেচনায় সবচেয়ে বড় আয়োজন। এদিকে দীর্ঘ এই কর্মসূচির কারণে মহাসড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে মহাসড়কের একটি পাশ ব্যবহার করে কর্মসূচি পরিচালনার চেষ্টা করা হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
মেসি কাপে মেসির রসিকতা

মেসি কাপে মেসির রসিকতা