ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ টুথপেস্টে প্লাস্টিক, এখন উপায়? ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলাকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ব্যাংক শাখার আয়তন ৬ হাজার বর্গফুটের বেশি হতে পারবে না বিনিয়োগই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে: অর্থমন্ত্রী সৌদি আরবে ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাল পাকিস্তান ভারতকে নিয়ে সিরিজ আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ অসহায়ত্বের সুযোগে দ্বিগুন ভাড়ায় চলছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড় স্পেনের ট্রফি গ্রহণের সময় মেসিরা মুখ ফিরিয়ে নেননি— দাবি মার্টিনেজের

রমজান মাসের ফজীলত, করণীয় ও বর্জনীয়

তায়েফে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম যখন দ্বিন প্রচার করতে গেলেন তখন তায়ফবাসী পাথর মেরে ওনাকে রক্তাক্ত করে
  • আপলোড সময় : ৭ মার্চ ২০২৪, সকাল ৯:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ মার্চ ২০২৪, সকাল ৯:২৪ সময়
রমজান মাসের ফজীলত, করণীয় ও বর্জনীয় ছবি: সংগৃহীত
তায়েফে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম যখন দ্বিন প্রচার করতে গেলেন তখন তায়ফবাসী পাথর মেরে ওনাকে রক্তাক্ত করে দিলেন। হযরত জীবরিল (আ:) দুপাহাড়কে একত্রিত করে তায়েফবাসীকে ধংস করে দেয়ার অনুমতি চাইলেন। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন, "হে আল্লাহ, তাদেরকে হেদায়েত দান করুন"। আর একবার হযরত জীবরিল (আ ) বললেন "যে রমজান মাস পেয়েও তার গোনাহ ক্ষমা করে নিতে পারল না সে ধংস হোক"। এটা শুনে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন "আমীন"। হযরত মোজাদ্দেদ আল ফেসানী (রহ:) তার মকতুবাতে বলেন, রমজান মাসে যে রহমত নাজীল হয় তার তুলনায় অন্যান্য মাসের নাজিলকৃত রহমত, সমুদ্রের তুলনায় এক ফোটা পানির মতো। এই কারণে সমস্ত আসমানী কিতাব নাজিল হয়েছে রমজান মাসে। এই মাসে কোনো নফল করলে সেটা ফরজের সমান সওয়াব, আর কোনো ফরজ করলে সেটা ৭০ গুণ সওয়াব। পূর্ববর্তি মুত্তাকী, আল্লাহওয়ালা গণ একজন আর একজনকে প্রশংসা করার সময় বলতেন, সেই ব্যক্তি এতগুলো রমজান পেয়েছে তার জীবনে, এটাই তার গ্রহনযোগ্যতার প্রমান, সোবহানাল্লাহ। হাদিস শরীফে এসেছে, রসুলুল্লাহ দোয়া করতেন "হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌছিয়ে দিন"। এ মাসটি কত বরকতময় যে তা পাবার জন্য আল্লাহর রসুল পর্যন্ত দোয়া করতেন।

সুবহানা্ল্লাহ আল্লাহ-তাআলা ক্বোরআন কারীমায় বলেন –
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। (সুরাহ বাকারাহ: ১৮৩)

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন "অনেকে রোজার দ্বারা ক্ষুধার্ত এবং তৃষনার্ত ছাড়া অন্য কিছুই লাভ করেনা। অন্য এক হাদিস শরীফে বলেন "যে গর্হিত কথাবর্তা এবং পাপ কাজ পরিত্যাগ করতে পারেনা, আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার তার খাবার এবং পানীয় ত্যাগ করায় কোনো প্রয়োজন নেই। অর্থ্যাৎ তার রোজা গ্রহণীয় নয়। সহীহ আল বুখারী (ভলি:৩, হাদিস:১২৭) সবরকম গোনাহ থেকে বেচে থাকতে হবে। এর মধ্যে আর একটি ভয়াবহ গোনাহ হোলো গীবত। আপনি যার গীবত করছেন, তার গোনাহ গুলো আপনার আমলনামায় চলে আসবে আর আপনার নেকীগুলো তার আমলনামায় চলে যাবে।

হযরত শেখ শাদী (রহ:) ছোটকালে তার বাবার সাথে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তেন। একদিন তিনি তার পিতাকে বললেন আব্বা বাসার অন্যান্যরা কিন্তু তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ছে না। তার পিতা বললেন, "তারা তোমার চেয়ে উত্তম, আরো ভালো হোতো তুমি যদি নামাজ না পড়ে তাদের মতো ঘুমিয়ে থাকতে।" শেখ শাদি (রহ:) এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন "তারা ঘুমিয়ে আছে অথচ কারো গীবত করছে না , যেটা তুমি করছ"। ভাবলে অবাক হতে হয়, কত সতর্ক ছিলেন তারা। আজ আমরা সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ মনে করে গীবত করি। যেটাও শয়তানের ধোকা।

আসুন এই রোজায় সমস্ত গোনাহ থেকে তওবা করে ফেলি। গোনাহ সব সময় বড় ভাবুন, কোনো গোনাহ-ই ছোটা না। আশরাফ আলী থানভী (রহ:) বলেন, কেউ কি কখনও বলে এটা ছোট আগুন ওটা বড় আগুন। ছোট হোক, বড় হোক পুড়িয়ে ধংস করার জন্য এক শলতে আগুনই যথেষ্ট। তেমনি গোনাহ ছোট হোক বা বড় হোক সব ক্ষতিকর। একবার এক বুজুর্গ ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে যাবার সময় দেখলেন এক ব্যক্তি বসে বসে কাদছেন। এর কারণ জিজ্ঞেস করলে সেই ব্যক্তি বললেন অনেক আগে এই জায়গায় আমি একটি গোনাহ করেছিলাম, সেই কথা মনে করে কাঁদছি। সুবহানাল্লাহ। 

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে?

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে?