ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হাসিনা আমলের ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ আবার ফেরত আনছে বিএনপি: হাসনাত ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ ২ কোটির বেশি প্রবীণকে এককালীন ৯০ ডলার দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার গল্প শোনাতে প্রথমা বুক ক্যাফেতে কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই কর্মীর জুতায় মিলল ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রিমান্ডে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন আখতারুজ্জামান: পুলিশ কিংবদন্তি হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে ইয়ামাল: স্পেন কোচ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের এপিএস রাশেদুলের সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে প্রেস উইংয়ের ব‍্যাখ‍্যা

কোর্টের কাছে নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে সিদ্ধান্ত চাই : শিক্ষার্থীরা

সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে চার
  • আপলোড সময় : ১০ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৫:২২ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৫:২২ সময়
কোর্টের কাছে নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে সিদ্ধান্ত চাই : শিক্ষার্থীরা ছবি : সংগৃহীত
সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজ বুধবার এ স্থিতাবস্থা জারি করেন। 

তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, কোটা সংস্কারের বিষয়ে কোর্ট নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে সিদ্ধান্ত চান তারা।

হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে আপিল বিভাগের চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারির পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ‘বৈষম্যবিরোধী’ ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) অপেক্ষা করুন। আমরা বিস্তারিত জানাব। আদালতে কী হয়েছে এখনও বিস্তারিত জানি না। তবে এতটুকু বলতে চাই, কোটা সংস্কারের বিষয়ে কোর্টের কাছে নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে সিদ্ধান্ত চাই।’

মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারিতে আশাহত হয়েছেন জানিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এ রায়ে আমরা আশাহত হয়েছি। কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা থাকলে চার সপ্তাহের রায় দিত না।

এটা সারাদেশে চলমান আন্দোলনকে দমানোর জন্য রাষ্ট্রীয় মেকানিজমের অংশ। কিন্তু আমরা দেখছি তারা সমস্যাকে আরও ঘনীভূত করছেন। বাঙালিকে হাইকোর্ট দেখানোর মতো করে এ দেওয়া রায় হয়েছে।’

দাবি নির্বাহী বিভাগের কাছে জানিয়ে হাসনাত বলেন, ‘আমাদের এবং নির্বাহী বিভাগের মধ্যে হাইকোর্ট এনে আমাদেরকে শত্রু বানাবেন না। আমাদের দাবি নির্বাহী বিভাগের কাছে।

নির্বাহী বিভাগ চাইলেই সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন করে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে দিতে পারে। সংসদে আইন পাস করতে পারে। তারা চাইলে আমাদেরকে রাজপথ থেকে পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে নিতে পারে।’
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা