ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

রাজধানীতে ডেঙ্গু স্থিতিশীল, আক্রান্তের হার বাড়ছে বাইরে : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেকটাই স্থিতিশীল হলেও ঢাকার বাহিরে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার কিছুটা বাড়তি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রাজধানীতে
  • আপলোড সময় : ২ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৪৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৪৫ সময়
রাজধানীতে ডেঙ্গু স্থিতিশীল, আক্রান্তের হার বাড়ছে বাইরে : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেকটাই স্থিতিশীল হলেও ঢাকার বাহিরে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার কিছুটা বাড়তি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় সবচেয়ে ব্যস্ততম হাসপাতালগুলোতেও এখন ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা ফাঁকা থাকছে বলেও জানা গেছে।

বুধবার (২ আগস্ট) দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, ঢাকার ডেঙ্গু আক্রান্তের হার মোটামুটি স্থিতিশীল, তবে ঢাকার বাহিরে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ঢাকায় বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৪৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, হাসপাতালটিতে রোগীদের জন্য মোট শয্যা রয়েছে ৬০০টি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৩৪৮ জন। এ ছাড়াও অন্যান্য প্রায় সবগুলো হাসপাতালেই শয্যা ফাঁকা রয়েছে। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেগুলোতে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থাও রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে কয়েকটি এলাকায় এখনো ডেঙ্গু সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো যাত্রবাড়ি, মুগদা, উত্তরা, জুরাইন, মিরপুর। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী যাত্রীবড়ি এলাকায়। বিভাগীয় পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আক্রান্তের দিক থেকে ঢাকার পরেই চট্টগ্রামের অবস্থান।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীগুলোর মধ্যে যারা মারা গিয়েছে (২৬১ জন), তাদের প্রায় প্রত্যেকেই হাসপাতাল ভর্তির ১/২ দিনের মধ্যে মারা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম, যাদের প্লাজমা লিকেজ হয়েছে। তা ছাড়া শক সিন্ড্রোমের কারণে তাদের দেহের অন্যান্য অর্গানও আক্রান্ত হয়েছে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরে ডা. শাহাদাত বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত পরিস্থিতি ও সকল কার্যক্রম দেখবাল করছে। আমরা চিকিৎসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?