ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ নির্বাচনের পরেই শেষ হবে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ: ট্রাম্প অপ্রাপ্তবয়স্কদের সোশ্যাল-মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইইউতে মতবিরোধ সংসদে রুমিন ফারহানাকে অশালীন ভাষায় গালাগালের অভিযোগ রাশিয়ার সীমান্তে ফিনল্যান্ডের ২০০ কিলোমিটারের নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের এক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি: হাসনাত আবদুল্লাহ দিস ইজ অ্যাবসার্ড—চিফ হুইপকে ডেপুটি স্পিকার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর, এক পারমিটেই ঘোরা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ শনিবার থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম অতিরিক্ত টাকা আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার; কক্সবাজারে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার আগে ইরান কেন সতর্ক করেছিল?

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত ২১ জুন দিনগত রাতে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান পারমাণবিক
  • আপলোড সময় : ২৪ জুন ২০২৫, দুপুর ১১:৩০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ জুন ২০২৫, দুপুর ১১:৩০ সময়
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার আগে ইরান কেন সতর্ক করেছিল? ছবি : সংগৃহীত
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত ২১ জুন দিনগত রাতে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে সোমবার রাতে কাতার ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান।

কাতারে মার্কিন ঘাটিতে হামলার আগে সতর্ক করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু তেহরান কেন আমেরিকাকে আগে থেকেই সর্তক বার্তা দিয়েছিল এখন সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।

নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক স্টেফান ফ্রুহলিং বিবিসিকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার উদ্দেশ্য ছিল মূলত ‘প্রতীকী’।

তিনি বলেন, এই সতর্কতার মাধ্যমে ইরান বোঝাতে চেয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও বড় সংঘাতে জড়াতে চায় না।

ফ্রুহলিংয়ের মতে, ইরানের পক্ষ থেকে সময় ও লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে আগাম জানানো হয়েছে যাতে কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপদে সরিয়ে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারকে এক ধরনের বার্তা দেওয়া যে ইরান সংঘাত সীমিত রাখতে চায় শুধু ইসরায়েলের সঙ্গেই। কারণ, সংঘাত বাড়লে তারা সামরিকভাবে পিছিয়ে পড়তে পারে।

নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার এই বিশ্লেষক বলেন, এর আগেও ইরান এমন ‘লোক দেখানো’ হামলা চালিয়েছিল, যেমনটা হয়েছিল ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কাসেম সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের পর।

উল্লেখ্য, কোনোপ্রকার উসকানি ছাড়াই গত ১৩ জুন দিনগত রাত হঠাৎ ইরানে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামের এই অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র ও আবাসিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইহুদিবাদী সেনারা।

হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার হোসেইন সালামি, খাতাম আল-আনবিয়া সদরদপ্তরের কমান্ডার ও বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল গোলাম আলি রশিদ ও দশজন পরমাণু বিজ্ঞানীসহ ৫০০ এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩ নামে’ অভিযান শুরু করে ইরান। তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ভেদ করে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। এতে  হতাহত কম হলেও ইসরায়েলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের