ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

আরও ভয়াবহ হতে পারে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, ভিন্ন পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণের তাগিদ

বরগুনায় গত আট মাসে ৯ হাজার মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। জেলাটিতে এখন পর্যন্ত এই রোগে ৬৫ জন প্রাণ
  • আপলোড সময় : ৯ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১১:২৯ সময়
আরও ভয়াবহ হতে পারে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, ভিন্ন পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণের তাগিদ ছবি : সংগৃহীত

বরগুনায় গত আট মাসে ৯ হাজার মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। জেলাটিতে এখন পর্যন্ত এই রোগে ৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতো রোগী এবং মৃত্যু অন্য কোনো জেলায় নেই।

চলটি বছর সারাদেশে ৭৭ হাজারের বেশি মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীতে ২২ হাজার। বাকি ৬৫ ভাগ রাজধানীর বাইরেরচ রোগীই। অথচ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মশা মারার কোনো উদ্যোগ নেই। সিটি করপোরশনগুলোতেও তেমন কোনো গুরুত্ব নেই।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, আগামী ৩০ থেকে ৪০ বছর মফস্বলে ডেঙ্গু একটি ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যা হতে যাচ্ছে। এটি কেউ ঠেকাতে পারবে না। এক্ষেত্রে পৌরসভা বা ইউনিয়ন কিছু করতে পারবে না। 

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কীটতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, মশা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে আমরা দেখাতে বেশি পছন্দ করি। লোক দেখানো কর্মসূচির কারণেই ডেঙ্গু কমে না। এর জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশা মারার উদ্যোগ দরকার। এডিস ও কিউলেক্স মশার জীবন, প্রজনন ও আচরণ আলাদা। এই দুই ধরণের মশা একটি উপায়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। এউ ভুলটিই সিটি করপোরেশন করে থাকে।

অন্যদিকে, চলতি মাসে সারা দেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। অথচ আগে থেকেই এ বিষয়ে কীটতত্ত্ববিদরা সতর্ক করেছিলেন। তবুও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র পরিস্থিতির অবনতি হলেই কিছু স্বল্প মেয়াদি কর্মসূচি কেবল নেয়া হয়। 

সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী বাড়লেও কাগজে কলমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মৃত্যু বেশি। সিটি করপোরেশন এটিকে তথ্যজনিত ভুল বলছে। সারাদেশ থেকে ঢাকায় আসা রোগীদের বড় অংশ দক্ষিণ সিটিতে দেখানো হয় বলে দাবি করেছেন তারা।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না। এখন বিশেষ কর্মসূচির চিন্তা করা হচ্ছে। এই বিশেষ অভিযান জনবণ ও সুশীল সমাজকে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, সামনের ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। শীতের আগে এডিস মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ কমবে না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা