ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক অভিষেকের ম্যাচে পাকিস্তানের জয়ের নায়ক সাহিবজাদা হাসিনার দুঃশাসন নিয়েও সরব ছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাই আলেমদের অন্যের ‘গেমের ঘুঁটি’ না হয়ে ‘নিজস্ব গেমের প্লেয়ার’ হতে বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ কিংবা মজুত হস্তান্তর করবে না ইরান ডিজেলের দাম কমার বড় ঘোষণা দ্রুত আসছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে দেশে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী গানবাজনা করায় বিয়েবাড়িতে হামলা, বরসহ আহত ১০ ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের জন্য: মঈন খান সংকুচিত হচ্ছে জনশক্তি রপ্তানির বাজার

বাধ্য হয়ে পোশাক কারখানা বন্ধের ঘোষণা: বিজিএমইএ

ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যত দিন না শ্রমিক ভাঙচুর বন্ধ
  • আপলোড সময় : ১২ নভেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ নভেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৪ সময়
বাধ্য হয়ে পোশাক কারখানা বন্ধের ঘোষণা: বিজিএমইএ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যত দিন না শ্রমিক ভাঙচুর বন্ধ হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারছে, তত দিন পর্যন্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ শিল্প ও সম্পদ রক্ষায় কারখানা বন্ধ রাখতে পারবেন।


তিনি বলেন, পোশাক কারাখানায় কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে এসব কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কিছু কারখানায় অজ্ঞাতনামা কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক অযৌক্তিক দাবিতে বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।


উদ্ভূত পরিস্থিতে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে কারখানার সব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী ,সেগুলোতে কাজ চলছে । তাদের কাজ চলমান থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন ফারুক হাসান। তিনি বলেন, যেহেতু বর্তমানে পোশাক খাতে অনেক কারখানায় কাজ কম, ক্রেতারা নতুন করে কার্যাদেশ দেওয়া বন্ধ রেখেছেন, সেহেতু নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে আবার নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।


ফারুক হাসান বলেন, ব্যাংক দেনা, কার্যাদেশ বাতিল বা যেকোনো কারণে কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেও মালিককে মজুরি পরিশোধ করতে হয়। এখন কাজ কম থাকায় কারখানাগুলোকে নতুন নিয়োগ না দিতে বলা হয়েছে। এ মুহূর্তে নতুন নিয়োগ কারখানাগুলোর ওপর বাড়তি বোঝা সৃষ্টি করবে। কোনো কারখানার কাজ বেশি থাকলে যে কারখানায় কাজ কম, সেখান থেকে কাজ করিয়ে নেবে।


আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো এ ব্যাপারে আমাদের ভিডিও ফুটেজ দিয়েছে, মামলার কপিও আমাদের দিয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৬০ টাকার ডাব ঢাকায় বিক্রি হয় ২০০ টাকায়!

৬০ টাকার ডাব ঢাকায় বিক্রি হয় ২০০ টাকায়!