ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ধোঁয়াশা ডাক্তার থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন এক কাপ ‘গ্রিন টি’ এক দশক পর ভারত থেকে আসতে যাওয়া নতুন রেল কোচে থাকছে যেসব সুবিধা খাগড়াছড়িতে পাঁচ বস্তা থেকে ২৪টি গুইসাপ উদ্ধার, নারী আটক কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৫, আহত ৩৫০০ গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ চালকদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ডারউইনে টাইগার পেস অ্যাটাকে নাজেহাল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, নেই ৮ উইকেট মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব পদে আলোচনায় যারা কঙ্গোতে ইবোলা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নেওয়ার পথে: ডব্লিউএইচওকঙ্গোতে ইবোলা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নেওয়ার পথে: ডব্লিউএইচও

টিকাদানের অভাবেই বিপুল সংখ্যক শিশু আক্রান্ত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সংস্থাটি দেশের সার্বিক হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উদ্বেগজনক
  • আপলোড সময় : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়
টিকাদানের অভাবেই বিপুল সংখ্যক শিশু আক্রান্ত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সংস্থাটি দেশের সার্বিক হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উদ্বেগজনক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, আগামী দুই-এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ঢাকা বিভাগে হামের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ২৬৩ জন। এর মধ্যে ঘনবসতি ও বস্তি এলাকায় রোগী বেশি পাওয়া গেছে, বিশেষ করে ডেমরা, যাত্রাবাড়ি, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর ও তেজগাঁও শিল্প এলাকায়।


রাজশাহী বিভাগে ৩ হাজার ৭৪৭ জন, চট্টগ্রামে ২ হাজার ৫১৪ জন এবং খুলনায় ১ হাজার ৫৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের ৯১ শতাংশের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল পর্যন্ত) হামে ও হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২১৫ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। মোট মৃত্যুর মধ্যে তিনজন সরাসরি হামে এবং চারজন হামের উপসর্গে মারা গেছে।


১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৯৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডব্লিউএইচও বলছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। সংস্থাটির মতে, টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, নিয়মিত বুস্টার ডোজ ও টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সর্বশেষ ২০২০ সালে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হলেও ২০২৪ সালে তা হয়নি। ফলে শিশুদের মধ্যে টিকাদান ঘাটতি তৈরি হয়েছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে

অবৈধ তিন হাজার ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে