ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ইনফান্তিনোর বিপক্ষে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে লড়তে চান জাপানের কোজো তাশিমা কক্সবাজারে মাইক্রোবাস থামিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রামে পাঠানো উৎপাদন কমানো বা বন্ধের পরিকল্পনা টেসলার সাইবারট্রাকের মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙার অভিযোগ ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী এনসিপি থেকে সামান্তার পদত্যাগ, পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া গাজীপুরে ভাঙচুর-নাশকতার অভিযোগে আসামি ৫ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার ৭০, তৌফিকের মৃত্যুতে মামলা হয়নি টেকনাফে নিহত সেনাসদস্য তিতাসের দাফন ফরিদপুরে সম্পন্ন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইসরাইলের, সম্পর্ক পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জে আইজেনকট পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিলেন স্বজন ও স্থানীয়রা, আহত ৫

এক ফিলিস্তিনিকে ‘বিক্রির জন্য’ ইসরায়েলি সেনার পোস্ট

গাজায় যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ইসরায়েলি সেনার একটি ছবি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার
  • আপলোড সময় : ২১ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
  • আপডেট সময় : ২১ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
এক ফিলিস্তিনিকে ‘বিক্রির জন্য’ ইসরায়েলি সেনার পোস্ট

গাজায় যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ইসরায়েলি সেনার একটি ছবি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত বছরের ১৮ নভেম্বর হারেল আমর্শিকা নামের ওই সেনা তার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে যুদ্ধস্মৃতি শেয়ার করে ৯টি ছবির একটি অ্যালবাম প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি গাজায় কাটানো সময়কে “দ্রুত কেটে গেলেও গভীর দাগ রেখে গেছে” বলে উল্লেখ করেন এবং যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা, সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্পর্ক ও কঠিন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন।


তবে ওই অ্যালবামের একটি ছবি নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ছবিতে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি যুবককে সাদা রঙের পূর্ণাঙ্গ স্যুট পরিহিত অবস্থায় হাত-পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় একটি ব্লকের পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবিটির ওপর “বিক্রির জন্য” লেখা একটি ক্যাপশনও যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ওই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এবং সেনা সদস্যটির অ্যাকাউন্টও মুছে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে একই নামে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, যেখানে ভিন্ন ধরনের বর্ণনা যুক্ত ছিল।


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ছবিটি দেখে গাজার এক নারী জহরা শোরাব তার নিখোঁজ ছেলে মোহাম্মদ শোরাবকে শনাক্ত করেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে নামাজে যাওয়ার পর থেকে তার ছেলে নিখোঁজ ছিল। পরিবারটি বহুদিন ধরে খোঁজাখুঁজি চালিয়ে আসছিল। পরে ছবিটি দেখার পর তারা মনে করেন, সেটিই তাদের নিখোঁজ সন্তানের ছবি হতে পারে।


তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ছবিতে থাকা ব্যক্তিকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব নয় এবং তাদের রেকর্ডে ওই ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী