ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা নেই: উপদেষ্টা জাহেদ নিউইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: আসিফ নজরুল বললেন, ‘কী করুণ আত্মসন্তুষ্টি!’ ড. ইউনূসকে হেনস্তা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির ‘চরিত্র’ উন্মোচিত করেছে চুয়েটে টানা অবরোধ: নিজ কার্যালয়েই অবরুদ্ধ ভিসি, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২ শিক্ষক বার্লিন সফর বাতিল ড. ইউনূসের ওয়েবসাইট থেকে সরানো হলো তার নাম অবিবাহিতদের রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি: রাষ্ট্রপতি ইরানে সম্ভবত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প চকবাজারে ফের আগুনের আশঙ্কায় পানি দেয়া অব্যাহত: ফায়ার সার্ভিস

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দিতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তুরস্ককে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে
  • আপলোড সময় : ৬ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দিতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তুরস্ককে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা শিল্প, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।


তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য ব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মত দেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, জাহাজ নির্মাণ, ওষুধশিল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের একটি হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার বিষয়েও তুরস্ককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি বৃত্তি এবং শিক্ষাবিনিময় কর্মসূচি চালুর আহ্বান জানানো হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার। এ বিষয়ে তুরস্কের মানবিক ও কূটনৈতিক সহায়তার প্রশংসাও করেন তিনি।


অন্যদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে উভয় পক্ষ কাজ করছে। তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমান স্তর থেকে বাড়িয়ে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য উল্লেখ করেন। ফিদান প্রতিরক্ষা শিল্পকে দুই দেশের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ খাতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে।


বাংলাদেশকে দক্ষিণ বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক দায়িত্বের অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার