ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মুশফিকের ফিফটিতে বড় লিডের পথে বাংলাদেশ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি ভারত কখনো মোদির মতো এমন কাপুরুষ দেখেনি: মুক্তির পর অভিজিৎ দিপকে ‘হু ইজ হাদি?’: নুরের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা রফিকুল ইসলাম মাদানির শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা নভেম্বরেই রোনালদোকে দলে ফেরাতে চান পর্তুগালের ফুটবলপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আশ্বাস ‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’: সাক্ষীর উদ্দেশ্যে পলক ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, চেন্নাইয়ে রোড শো করছেন মোদি

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি—আর ঠিক সেই সময়েই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন
  • আপলোড সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৫:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৫:৩২ সময়
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি—আর ঠিক সেই সময়েই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর দল। ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা। প্রশ্ন উঠছে, ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে চলা আন্দোলন থামাতেই কি কঠোর পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান সরকার?


রোববার, ১১ অক্টোবর, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধের পর তিনি এই অনুমোদন দেন। প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। বৈঠকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৩ ধারা অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারির জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পরামর্শ দেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরুরি অবস্থার পাশাপাশি প্রদেশটিতে গভর্নর শাসন কার্যকরের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।


খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছিল ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ, সংক্ষেপে পিটিআই। গত কয়েক দিন ধরে প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদির নেতৃত্বে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চলছে। গত ৫ অক্টোবর ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করলেও এখনো রাজধানীর দিকে অগ্রসর হতে পারেনি দলটি। আন্দোলন মূলত খাইবার পাখতুনখাওয়াতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ২০২২ সালে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান ইমরান খান। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মামলায় সাজা হওয়ায় তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন। ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েছেন—এমন দাবি তুলে তাঁর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে পিটিআই।


এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পিটিআইকে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না। তাঁর এই বক্তব্যের মধ্যেই প্রদেশটিতে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্তের ফলে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিধিনিষেধ আরোপ এবং সাধারণ মানুষের কিছু মৌলিক অধিকার সীমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কী ধরনের বিধিনিষেধ কার্যকর হবে এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব কতটা বিস্তৃত হবে, তা নির্দিষ্টভাবে জানা প্রয়োজন।


সব মিলিয়ে, ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন, ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত—সবকিছু মিলিয়ে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এখন নজর থাকবে, পিটিআই তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে কী পদক্ষেপ নেয় এবং জরুরি অবস্থা কার্যকরের পর প্রদেশটির পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার