ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রিকেটে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করতে আইসিসিকে বুলবুলের চিঠি বাংলাদেশ একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত শি জিনপিংয়ের প্রতিশ্রুতি— চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে ‘আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি অথচ কেউ অভিনন্দনও জানায়নি’ ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি কিনতে ঋণ মিলবে ৮০ লাখ টাকা ২১ মিনিটেই ৩ গোল, ডেম্বেলের জোড়া গোলের পর নরওয়ের এক চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক ডেম্বেলের প্রশাসনের কর্মকর্তারা রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন: ড. মঈন খান

ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স: রেকর্ড গড়ার প্রত্যাশা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে। শনিবার সকালে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সিন্দুকগুলো খোলার কার্যক্রম
  • আপলোড সময় : ২৭ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৬ সময়
ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স: রেকর্ড গড়ার প্রত্যাশা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে। শনিবার সকালে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সিন্দুকগুলো খোলার কার্যক্রম শুরু হবে। এবার দানের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মসজিদ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দানসিন্দুক খোলা হয়েছিল। তখন বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, বিদেশি মুদ্রা এবং বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়। গণনা শেষে দানের পরিমাণ ১১ কোটিরও বেশি টাকা হয়েছিল, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।


সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর দানসিন্দুক খোলা হলেও এবার ছয় মাস ধরে সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এবার দানের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের অন্যতম আলোচিত এই ধর্মীয় স্থানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভিড় করেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ নানা আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এখানে দান করেন। অনেকের বিশ্বাস, আন্তরিকভাবে দান করলে মনের ইচ্ছা পূরণ হয়।


শুধু অর্থ নয়, ভক্তরা স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি এবং বিভিন্ন সামগ্রীও দান করে থাকেন। এসব কারণে পাগলা মসজিদ দেশের অন্যতম বৃহৎ দানভিত্তিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রায় আড়াই শতাব্দী আগে এক আধ্যাত্মিক সাধক এই এলাকায় এসে অবস্থান করেছিলেন। তার স্মৃতিকে ঘিরেই পরবর্তীতে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় স্থানে রূপ নেয়।


প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিন্দুক খোলার পর পাওয়া অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী গণনার কাজ কয়েকদিন পর্যন্ত চলতে পারে। এ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন, মসজিদ কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ