জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ফেরি ডুবে অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ৯০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতার ফেরিটিতে প্রায় ১২০ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১২ জন শিশু ছিল বলে হ্রদের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হ্রদের একটি দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে ফেরিটিতে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। দেশটির নাগরিক সুরক্ষা ইউনিট জানিয়েছে, টিকিট বিক্রির নিবন্ধিত তথ্য অনুযায়ী ফেরিটিতে ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু সদস্য ছিলেন। টিকিট কাটার বয়স হয়নি—এমন শিশু কতজন ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার পর নিখোঁজদের উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, উল্টে যাওয়া ফেরিটির দিকে কয়েকটি দ্রুতগতির নৌযান এগিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলের ওপর দিয়ে একটি হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি পানির নিচে নিখোঁজদের সন্ধানে বিশেষ অনুসন্ধানকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেশটির গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন সংস্থার এই জলযানটি উত্তরাঞ্চলীয় কারিবা শহরের সঙ্গে কয়েকটি দ্বীপ ও মাছ ধরার গ্রামের মধ্যে সাধারণ মানুষকে পারাপারের কাজে ব্যবহৃত হতো। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণেই ফেরিটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন