ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক আইফোন ও কম্পিউটার উদ্ধারের মামলায় ছয় বিদেশি নাগরিকের জামিন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে যেসব ৩ খাবার এড়িয়ে চলবেন মোংলা হয়ে খুলনায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শিল্পাঞ্চলে সহিংসতা কঠোরভাবে দমনের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যার নেপথ্যে স্বর্ণ লুটের বিরোধ, পুলিশের দাবি দিল্লির স্কুলে খেলাধুলার ক্লাস শেষে অজ্ঞান হয়ে ৯ বছরের ছাত্রীর মৃত্যু সেন্ট মার্টিন রুটে চলবে তিন পর্যটকবাহী জাহাজ, অনুমোদন দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে বিক্ষোভ

ভারতীয় বিদ্যুৎ আমদানিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে বাংলাদেশকে। ‘নিষ্পত্তি নোডাল সংস্থা চার্জ’ নামে প্রতি
  • আপলোড সময় : ২৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৫৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৫৩ সময়
ভারতীয় বিদ্যুৎ আমদানিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে বাংলাদেশকে। ‘নিষ্পত্তি নোডাল সংস্থা চার্জ’ নামে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ভারতীয় আধা পয়সা করে মাশুল পরিশোধের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যুতের বিদ্যমান মূল্যের সঙ্গে আলাদাভাবে যুক্ত হবে এই চার্জ। এতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হতে পারে।


বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র জানিয়েছে, ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি নির্ধারণ, মিটারিং, বিদ্যুতের হিসাব এবং আর্থিক লেনদেন নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন খরচ এই নতুন চার্জের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


প্রথমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য এক ভারতীয় পয়সা চার্জ প্রস্তাব করা হলেও দরকষাকষির পর তা কমিয়ে আধা পয়সায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। জানা গেছে, এই চার্জ বিদ্যুতের মূল দামের অংশ নয়। আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্যে গ্রিড পরিচালনা, বিদ্যুৎ সরবরাহের হিসাব এবং আর্থিক দায় নিষ্পত্তির ব্যয় মেটাতেই আলাদাভাবে এই মাশুল নেওয়া হবে। ভারতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে পৃথক নিয়ন্ত্রণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে মিটারিং, বিদ্যুতের হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।


বর্তমানে কয়েকটি পৃথক চুক্তির আওতায় ভারত থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্ষেত্রেই নতুন এই অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে। তবে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমদানি করা ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্ষেত্রে নতুন করে এই চুক্তির প্রয়োজন হবে না। কারণ ওই বিদ্যুতের চুক্তির মধ্যেই সংশ্লিষ্ট চার্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তি সইয়ে বিলম্ব হলে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রতি ইউনিটে চার্জের পরিমাণ কম হলেও দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির কারণে বাংলাদেশের ওপর এর আর্থিক প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে। দেশীয় গ্যাসের ঘাটতি, আমদানি করা জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সীমাবদ্ধতার কারণে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। নতুন চুক্তি কার্যকর হলে বিদ্যুতের মূল দামের পাশাপাশি অতিরিক্ত এই মাশুলও বহন করতে হবে বাংলাদেশকে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী