ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি কোথায় আছেন— জানেন না কেউ গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার সম্পন্ন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে: রিজভী উপকূল ও চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিবে ভাসমান হাসপাতাল ‘স্বাস্থ্য তরী’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ২৭ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী জামায়াতের লং মার্চ অযৌক্তিক হলেও সরকার সহযোগিতা করবে: রাশেদ খাঁন মিয়ানমারে পাচারের সময় ১২৬০ বস্তা সিমেন্টসহ আটক ২ রিমান্ডে গাজী তানভীরের শরীরে অজ্ঞাত ইনজেকশন পুশ করা হয়েছিল: নাহিদ ‘উনি যে জেলায় যান, সে জেলায়ই কালেমা পড়ে বিয়ে করেন’

দাম বাড়িয়েও বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি

বাজারে দাম বাড়ার পরও মিলছে না প্রয়োজনীয় সয়াবিন তেল! রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ
  • আপলোড সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়
দাম বাড়িয়েও বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি

বাজারে দাম বাড়ার পরও মিলছে না প্রয়োজনীয় সয়াবিন তেল! রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—দাম বাড়ার পরও কেন বাজারে তেলের সংকট কাটছে না? রাজধানীর শান্তিনগর, নিউ মার্কেট ও তুরাগ এলাকার নতুন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, পরিবেশকদের বারবার তাগাদা দিয়েও তারা পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছেন না। যতটুকু সরবরাহ করা হচ্ছে, তার বড় অংশই দুই ও পাঁচ লিটারের বোতল।


মাত্র দুই সপ্তাহ আগে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়। নতুন এই দাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। কিন্তু দাম বাড়ার পরও সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও ভোগান্তি। বোতলজাত তেলের সংকটের প্রভাব পড়েছে খোলা তেলের বাজারেও। বর্তমানে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৯৮ থেকে ২০০ টাকা এবং পাম তেল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


শুধু তেল নয়, রাজধানীর বাজারে বেড়েছে আটা ও ময়দার দামও। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০ টাকা দরে। খোলা ময়দার দাম উঠেছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। আর দুই কেজির প্যাকেটজাত ময়দা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা পর্যন্ত। এদিকে বাড়তি খরচের কারণ দেখিয়ে বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে। উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রকৃত খরচ যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।


অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দামও বেড়েছে। রাজধানীর বাজারে এক ডজন ফার্মের লাল ডিম সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। তবে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের চাষের মাছও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এর মধ্যে রুই ৩৮০ থেকে ৪২০, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৪০ এবং ট্যাংরা ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি।


সবজির বাজারও খুব একটা স্বস্তি দিচ্ছে না। বেশির ভাগ সবজি আগের চড়া দামেই স্থির রয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বাজারভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ, একদিকে তেলের সরবরাহ সংকট, অন্যদিকে আটা-ময়দা, ডিম ও কাঁচা মরিচের বাড়তি দাম—সব মিলিয়ে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে চাপ আরও বাড়ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার