ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা নেই: উপদেষ্টা জাহেদ নিউইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: আসিফ নজরুল বললেন, ‘কী করুণ আত্মসন্তুষ্টি!’ ড. ইউনূসকে হেনস্তা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির ‘চরিত্র’ উন্মোচিত করেছে চুয়েটে টানা অবরোধ: নিজ কার্যালয়েই অবরুদ্ধ ভিসি, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২ শিক্ষক বার্লিন সফর বাতিল ড. ইউনূসের ওয়েবসাইট থেকে সরানো হলো তার নাম অবিবাহিতদের রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি: রাষ্ট্রপতি ইরানে সম্ভবত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প চকবাজারে ফের আগুনের আশঙ্কায় পানি দেয়া অব্যাহত: ফায়ার সার্ভিস

দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ককরোচ পার্টির

দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পেয়ে এবার পুলিশকেই ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল একটি রাজনৈতিক দল! নির্ধারিত
  • আপলোড সময় : ১২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:৫০ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:৫০ সময়
দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ককরোচ পার্টির

দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পেয়ে এবার পুলিশকেই ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল একটি রাজনৈতিক দল! নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে বিক্ষোভের নতুন তারিখ জানানো না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এই আলটিমেটাম ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।


সোমবার, ১২ অক্টোবর, দলের সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রাঙ্কা আরেক সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাসকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান। সেখানে পুলিশের কাছে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য নতুন একটি তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। দলটির নেতাদের বক্তব্য, যন্তর মন্তর বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান। সেখানে তাঁরা কবে কর্মসূচি পালন করতে পারবেন, তা পুলিশকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। এ জন্য পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না পেলে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আশুতোষ রাঙ্কা।


তবে প্রশ্ন উঠেছে, কেন বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ? এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কয়েকটি কারণ তুলে ধরা হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়। পুলিশের দাবি, আয়োজকেরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আবেদন করেছিলেন। পাশাপাশি আগের বিক্ষোভে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ এবং জননিরাপত্তা, যান চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল।


পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত কর্মসূচির বিষয়ে তাদের জানানো হয়েছিল ৭ অক্টোবর। অর্থাৎ, বিক্ষোভের মাত্র তিন দিন আগে আবেদন করা হয়। অথচ পুলিশের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মসূচির জন্য অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন জমা দিতে হয়। এই সময়সীমা পূরণ না হওয়াকেও অনুমতি না দেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ।


এ ছাড়া দলটির আগের বিক্ষোভ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের অভিযোগ, অতীতে একটি বিক্ষোভ নির্ধারিত সময়ের পরও চলেছিল। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলে দাবি তাদের। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলটির বিস্তারিত জবাব প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ককরোচ জনতা পার্টির এই বিক্ষোভের মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা কার্যক্রমে, অর্থাৎ এসআইআরে, কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে দলটি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য দেওয়া হয়নি।


এখন নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে কি না, নাকি ককরোচ জনতা পার্টি সত্যিই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে পুলিশ ও রাজনৈতিক দলটির এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার