দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে প্রায় ১৫০ জনকে আটক করার ঘটনায় নতুন মোড়! ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ, কিন্তু ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আদালতে হাজির করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন একজনকে মুক্তি দেওয়া হলো, আর অন্যজনকে যেতে হচ্ছে আদালতে? এই ঘটনাকে ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক ও ছাত্র আন্দোলনের অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।
শনিবার ১৭ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ জানায়, আইসা নেত্রী নেহা বোরাকে আইনের ৬৫ ধারার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হবে। পুলিশের অভিযোগ, দিল্লির কনট প্লেস এলাকার সেন্ট্রাল পার্কে জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেছেন তিনি। পাশাপাশি আগে দেওয়া শান্তি বজায় রাখার শর্তও ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগে দিল্লিতে ‘লেহরা দো তিরাঙ্গা’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। বিক্ষোভের আগে প্রতিরোধমূলক আটকের অংশ হিসেবে প্রায় ১৫০ জনকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে কনট প্লেস এলাকার বিভিন্ন প্রবেশপথে ব্যারিকেড বসানো হয়।
তবে আটকের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইসা ও ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আটক ব্যক্তিদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি নেহা বোরাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ঘোরানো হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। এসব অভিযোগ ঘিরে সংগঠন দুটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর আগে ককরোচ জনতা পার্টির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রঙ্কাকেও আটক করা হয়েছিল। শান্তিভঙ্গের অভিযোগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশের অভিযোগে তাদের তিহার কারাগারে পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে আটক, মুক্তি এবং আদালতে হাজির করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নেহা বোরার মুক্তি মিললেও অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগের বিষয়ে আদালতে কী সিদ্ধান্ত আসে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে। তবে পুলিশের অভিযোগ এবং সংগঠনগুলোর বক্তব্যের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন