নামাজে
ভুলবশত কোন ওয়াজিব ছুটে গেলে নামাজ শেষে সেজদায়ে সাহু করলে নামাজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে ইচ্ছাকৃত ওয়াজিব তরক করলে নামায পুনরায় পড়তে হবে।
নামাযের মধ্যে রয়েছে ফরজ, ওয়াজিব এবং সুন্নতসমূহ ইচ্ছাকৃত হোক অথবা ভুলবশত হোক ফরজ ছুটে গেলে নামাজ নষ্ট হয়ে যায়। নতুন করে নামাজ আদায় করতে হবে। আর ওয়াজিব ছুটে গেলে সাহু সিজদা দিলে নামাজ আদায় হয়ে যায়। আর সুন্নাত ছুটে গেলে প্রয়োজন নেই। নামাজ আদায় হয়ে যাবে।
১. সুরা ফাতিহা পুরা পড়া। (বুখারি, হাদিস নং-৭৫৬)
২. সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য কোনো সুরা মিলানো । (বুখারি, হাদিস নং-৭৭৬, মুসলিম, হাদিস নং-৪৫১)
৩. রুকু-সিজদায় দেরি করা ।— (আবু দাউদ, হাদিস নং-৮৫৬)
৪. রুকু হতে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। (আবু দাউদ, হাদিস নং-৮৫৮)
৫. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।— (প্রাগুক্ত)
৬. দরমিয়ানি বৈঠক। অর্থাৎ তিন অথবা চার রাকাত নামাযের প্রথম বৈধক করা।—(বুখারি, হাদিস নং-৮২৮)
৭. উভয় বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পড়া।(বুখারি, হাদিস নং-৮৩০, মুসলিম হাদিস নং-৪০২)
৮. ইমামের জন্য কিরাত আস্তে এবং জোরে পড়া। অর্থাৎ জোহর, আসর এবং দিনের বেলায় সুন্নাত ও নফল নামাযে কিরাত আস্তে পড়া এবং ফজর, মাগরিব, ইশা, জুমা, দুই ইদ, তারাবিহ, রমযান মাসের বিতর নামাযে কিরাত জোরে পাড়।(আবু দাউদ, হাদিস নং-৪১, মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস নং-৪৭০০)
৯. বিতরের নামাযে দোয়ায়ে কুনুত পড়া। (নাসায়ি শরিফ, হাদিস নং-১৬৯৯, ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-১১৮২)
১০. দুই ইদের নামাযে অতিরিক্ত ছয় ছয় তাকবির বলা। (আবু দাউদ, হাদিস নং-১১৫৩)
১১. ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতে কিরাত পড়া। -(বুখারি, হাদিস নং-৭৭৬, মুসলিম, হাদিস নং-৪৫১)
১২. প্রত্যেক রাকাতের ফরজগুলোর তারতিব ঠিক রাখা। ১৩. প্রত্যেক রাকাতের ওয়াজিবগুলোর তারতির ঠিক রাখা। (তিরমিযি, হাদিস নং-৩০২)
১৪. ‘আসসালামু আলাইকুম' বলে নামায শেষ করা। – (আবু দাউদ, হাদিস নং-৯৯৬)
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন