ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

শিক্ষক স্ত্রীর যৌতুক মামলায় খালাস ম্যাজিস্ট্রেট স্বামী

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারজানা নাসরিনের যৌতুক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন স্বামী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  • আপলোড সময় : ৩১ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৮:১০ সময়
  • আপডেট সময় : ৩১ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৮:১০ সময়
শিক্ষক স্ত্রীর যৌতুক মামলায় খালাস ম্যাজিস্ট্রেট স্বামী প্রতীকী ছবি
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারজানা নাসরিনের যৌতুক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন স্বামী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা। তবে, রায়ে সংক্ষুব্ধ বাদী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালাল এ রায় দেন। 

খালাসপ্রাপ্ত মাসুদ রানা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার আফতাব নগর গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। তিনি নীলফামারীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় মামলার আসামি হন। বর্তমানে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত (ওএসডি) আছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী রুহিন বালুজ। 

বাদী ফারজানা নাসরিন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নলডাঙ্গা গ্রামের ইকরামুল হকের মেয়ে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা নাসরিনের। এরপর আগের বিয়ে গোপন করে ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাকে বিয়ে করেন মাসুদ রানা। বিয়ের সময় মাসুদ রানাকে ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও আরও ৫ লাখ টাকার মালামাল দেন ফারজানার বাবা। কিছুদিন যেতে না যেতেই ঢাকার পূর্বাচলে প্লট ক্রয়ের জন্য স্ত্রী ফারজানার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন মাসুদ। ওই সময় ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয় মাসুদ রানাকে। বাকি টাকার জন্য স্ত্রী ফারজানার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন তিনি।

২০২০ সালের ২৯ আগস্ট শ্বশুরবাড়ি এসে যৌতুক না পেয়ে ফারজানাকে মারপিট করে চলে যান মাসুদ রানা। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে একই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন ফারজানা নাসরিন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালাল আসামি মাসুদ রানাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

এই ব্যাপারে আসামি মাসুদ রানার আইনজীবী রুহিন বালুজ বলেছেন, যৌতুক দাবিতে মারপিটের ঘটনার দিন দেখানো হয়েছে ২০২০ সালের ২৯ আগস্ট। কিন্তু ওইদিন আসামি মাসুদ রানা কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে নীলফামারীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। তাছাড়া সাক্ষীরা একে অপরের বিপরীতমুখী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ফলে বিচারক ওই মামলায় আসামি মাসুদ রানাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।


অপরদিকে বাদী ড. ফারজানা নাসরিন জানান, এই রায়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। এর আগে যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ অন্য একটি মামলায় আসামি মাসুদ রানাকে খালাস দিয়েছেন। ওই মামলায় বাদি উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। উচ্চ আদালত সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে নথি তলব করেছেন। এই মামলায়ও তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা