ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদের দল বলে, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে: মির্জা ফখরুল বর্তমান সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছেন গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল সাগর, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারীদের ওপর উঠে গেল বেপরোয়া ট্রাক, নিহত ২ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ৩০ জুলাই বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার কর্নেল (অব.) অলি অতীতে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়েছিলেন: রাশেদ খান রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রাসে প্রবল ঝড়ে আটকে ৫ পর্বতারোহীর মৃত্যু দেশে যাত্রা শুরু করল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাতির প্রতিষ্ঠান ‘হেইগা’ ট্রাম্পদের হেলিকপ্টারে মাঠের ক্ষতি, ক্যাম্প বাতিল ব্রাইটনের

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পর্যটন খাতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় দেশ। এই শিল্পের যথাযথ
  • আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:২৮ সময়
পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ছবি : সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পর্যটন খাতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় দেশ। এই শিল্পের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এ শিল্পের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।


তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আমি আশা করি, পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি পরিবেশগত অবক্ষয় রোধে সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল অবদান রাখবেন।’


শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ সব কথা বলেন।তিনি বলেন, “বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৫’ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।”


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পর্যটন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটন শিল্পের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।তিনি বলেন, “পর্যটন শিল্পের বিকাশের ফলে একদিকে আমাদের পর্যটন অঞ্চলগুলোর সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণেও সচেতনতা বাড়ছে। এ প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা ঘোষিত দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘টেকসই উন্নয়নে পর্যটন’ যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।”


ড. ইউনূস বলেন, আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থাপত্য নিদর্শন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং অকৃত্রিম আতিথেয়তা যেকোনো দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকর্ষণ করতে পারে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পর্যটনের এই অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে সচেষ্ট রয়েছে।


তিনি বলেন, পর্যটন সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলোর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদের সঠিক ব্যবহার, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সম্প্রসারণ, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক পরিহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


প্রধান উপদেষ্টা ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নভেম্বরেই মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন

নভেম্বরেই মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন