ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মতবিরোধ নিরসনে রাজপথ নয়, সংসদে আলোচনার আহ্বান মির্জা ফখরুলের ৩৬ টাকা কেজিতে ধান, ৪৯ টাকায় সেদ্ধ চাল কিনবে সরকার ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’, ঐকমত্য কমিশন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাবেক প্রসিকিউটরের ‘কোটি টাকার ঘুষ’ দাবি, তদন্তে মিলল প্রাথমিক সত্যতা ঝিনাইদহে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরানি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করলো যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসহ তিন মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন সচিব পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপির লাইভ: বোর্ড বলছে, ‘বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছি’ ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত, বিরোধী দলও একমত সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া নিষেধ

‘নাকের সোনার ফুলটাও বেচে দিয়েছি বাচ্চার চিকিৎসার জন্য...’

ঢাকায় চিকিৎসা নিতে এসে চরম অর্থকষ্টে পড়েছেন পান্না আক্তার। তার ৯ মাস বয়সী সন্তান নাফি নিউমোনিয়া ও পরে
  • আপলোড সময় : ২০ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
‘নাকের সোনার ফুলটাও বেচে দিয়েছি বাচ্চার চিকিৎসার জন্য...’

ঢাকায় চিকিৎসা নিতে এসে চরম অর্থকষ্টে পড়েছেন পান্না আক্তার। তার ৯ মাস বয়সী সন্তান নাফি নিউমোনিয়া ও পরে হামে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে শ্যামলী শিশু হাসপাতাল-এর হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। রোববার (১৯ এপ্রিল) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পান্না আক্তার জানান, সুই, ক্যানুলা, স্যালাইন থেকে শুরু করে সব ধরনের চিকিৎসা সামগ্রী নিজেদের টাকায় কিনতে হচ্ছে। চিকিৎসা ব্যয়ের চাপে নাকের সোনার ফুল পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে বলে তিনি জানান।


তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসতে ২০ হাজার টাকা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া দিতে হয়েছে। এরপর থেকে ঢাকায় কোনো আত্মীয় না থাকায় থাকা-খাওয়ার খরচও বাড়ছে। ধার-দেনা করে সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে একই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন আরও অনেক অভিভাবক। হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক জানান, শিশু হাসপাতালে কিছু বেড বিনামূল্যে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ ও সেবার খরচ আংশিকভাবে রোগীদের বহন করতে হয়।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক শিশুর মৃত্যু এবং হাজারো সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে সাবেক আইইডিসিআর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের হাসপাতালে এনে পর্যবেক্ষণে রাখার পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।


স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত সহায়তার অভাব এবং হাসপাতালের সীমিত সুবিধা—সব মিলিয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে। এ অবস্থায় দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ