ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বেসরকারি হাসপাতালের এনআইসিইউতে নবজাতক দগ্ধ, জীবন নিয়ে শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১০ নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু, বাধা দেয় যুক্তরাষ্ট্র দেশভাগ ও ভাষা আন্দোলনের গল্পে আনজুম হয়ে পর্দায় আসছেন ভাবনা ফেনী সীমান্তে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় মদ, শাড়ি ও প্রসাধনী জব্দ ডিসেম্বরে আপার দেশে ফেরার সুযোগ নেই : নাহিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরছেন শাকিব, শুরু ‘নিঃস্ব’র প্রস্তুতি চীনের মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন প্রথম পাকিস্তানি নভোচারী তাহসিফ সৌরি হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

কিশোরগঞ্জের চার উপজেলায় পানির নিচে আরও ১ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে
  • আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫২ সময়
কিশোরগঞ্জের চার উপজেলায় পানির নিচে আরও ১ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টরে। চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন জেলার প্রায় ৩৬ হাজার কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানিয়েছেন, অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে হাওরাঞ্চলের নিকলী, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।


পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না। অন্যদিকে খলায় রাখা ধান রোদ না পাওয়ায় শুকাতে না পেরে পচন ধরছে এবং চারা গজানোর ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


এ বছর কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওর এলাকাতেই ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৯ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। নিকলী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় জেলায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীগুলোর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও রোদ না থাকায় পাঁচ দিন ধরে কেটে আনা ধান শুকানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে ভেজা ধান স্তূপ করে রাখছেন, ফলে ক্ষতির শঙ্কা আরও বাড়ছে।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, একদিকে জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে ঘরে আনা ধানও নষ্ট হচ্ছে—সব মিলিয়ে তারা এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী