ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বেসরকারি হাসপাতালের এনআইসিইউতে নবজাতক দগ্ধ, জীবন নিয়ে শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১০ নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু, বাধা দেয় যুক্তরাষ্ট্র দেশভাগ ও ভাষা আন্দোলনের গল্পে আনজুম হয়ে পর্দায় আসছেন ভাবনা ফেনী সীমান্তে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় মদ, শাড়ি ও প্রসাধনী জব্দ ডিসেম্বরে আপার দেশে ফেরার সুযোগ নেই : নাহিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরছেন শাকিব, শুরু ‘নিঃস্ব’র প্রস্তুতি চীনের মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন প্রথম পাকিস্তানি নভোচারী তাহসিফ সৌরি হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা
  • আপলোড সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা ধান শুকাতে না পেরে পচে যাচ্ছে, অন্যদিকে মাঠে থাকা পাকা ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে—এতে দ্বিমুখী চাপে দিশেহারা কৃষকেরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, টানা প্রায় ১০ দিনের বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকানোর সুযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে আগে কেটে আনা ধান মাড়াই ও ঝাড়াই করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক জায়গায় ধানের মধ্যে শেকড় গজিয়ে পচন শুরু হয়েছে, কোথাও আবার তাপ সৃষ্টি হয়ে ধোঁয়াও বের হচ্ছে। এতে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে তা মানবখাদ্যের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।


গতকাল মঙ্গলবার কিছু সময় রোদ ওঠায় কৃষকেরা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও হঠাৎ বৃষ্টিতে আবারও বিপাকে পড়েন তারা। বরাম হাওরের কৃষক আলী আহমদ বলেন, “রোদ উঠলেই কাজ শুরু করি, কিন্তু বৃষ্টি নামলে সব ভিজে যায়। ধান বাঁচানো কঠিন হয়ে গেছে।” টাংনীর হাওরের কৃষক আব্দুল করিম জানান, “মাঠের ধান কাটব নাকি খলার ধান বাঁচাব বুঝতে পারছি না, শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না।” কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, “কষ্ট করে কেটে আনা ধানই এখন পচে যাচ্ছে। হাঁসের খামারিদের কাছে বিক্রি করলেও দাম খুব কম।”


কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে দিরাই উপজেলার ৩৯টি হাওরে প্রায় ৩০ হাজার ১৭৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৭ মেট্রিক টন ধান। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি এবং এপ্রিলের শেষ দিকের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে যায়।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কিছু ধান কেটে আনা গেলেও শ্রমিক সংকট ও আবহাওয়ার কারণে তা-ও নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত আবহাওয়া অনুকূলে না এলে চলতি মৌসুমে দিরাইসহ হাওরাঞ্চলে বড় ধরনের ফসল ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী