ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রিকেটে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করতে আইসিসিকে বুলবুলের চিঠি বাংলাদেশ একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত শি জিনপিংয়ের প্রতিশ্রুতি— চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে ‘আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি অথচ কেউ অভিনন্দনও জানায়নি’ ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি কিনতে ঋণ মিলবে ৮০ লাখ টাকা ২১ মিনিটেই ৩ গোল, ডেম্বেলের জোড়া গোলের পর নরওয়ের এক চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক ডেম্বেলের প্রশাসনের কর্মকর্তারা রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন: ড. মঈন খান

বিশ্ব মা দিবস আজ

‘মা’—ছোট্ট একটি শব্দ, অথচ এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, মমতা আর আত্মত্যাগের গল্প। সন্তানের জীবনে
  • আপলোড সময় : ১০ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৯ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩৯ সময়
বিশ্ব মা দিবস আজ

‘মা’—ছোট্ট একটি শব্দ, অথচ এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, মমতা আর আত্মত্যাগের গল্প। সন্তানের জীবনে প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক ও সবচেয়ে নির্ভরতার নাম মা। তাই মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে আজ বিশ্ব মা দিবস পালিত হচ্ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসার জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষ এই দিনে সন্তানরা মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে নানা আয়োজন করে থাকেন।


ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রাচীন গ্রিসে মাতৃ দিবস পালনের প্রচলন থাকলেও আধুনিক মা দিবসের ধারণা আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সমাজকর্মী অ্যান জারভিস নারীদের অধিকার ও মানবকল্যাণে কাজ করতেন। তিনি ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একসময় তিনি মায়েদের সম্মান জানাতে বিশেষ একটি দিনের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রকাশ করেছিলেন। ১৯০৫ সালে অ্যান জারভিসের মৃত্যুর পর তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে মা দিবস পালনের উদ্যোগ নেন। পরে ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করেন। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।


বাংলাদেশেও দিনটি ঘরোয়া পরিবেশে উদযাপন করা হয়। অনেকেই মায়ের হাতে ফুল তুলে দেন, উপহার দেন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, কবিতা ও আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। বিশেষ এই উপলক্ষে বিভিন্ন ফ্যাশন ব্র্যান্ডও নতুন আয়োজন নিয়ে হাজির হয়েছে। মা দিবসকে ঘিরে বিশেষ পোশাক ও উপহারের কালেকশন প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।


মা দিবসের মূল বার্তা হলো—মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও স্নেহের প্রতি সম্মান জানানো। কারণ জীবনের প্রতিটি কঠিন সময়ে নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন একজন মা-ই। বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়ের সুখ, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন অনেকে। সন্তান হিসেবে মায়ের মুখে হাসি ফোটানোই হোক আজকের দিনের সবচেয়ে বড় প্রতিজ্ঞা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ