ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হাসিনা আমলের ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ আবার ফেরত আনছে বিএনপি: হাসনাত ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ ২ কোটির বেশি প্রবীণকে এককালীন ৯০ ডলার দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার গল্প শোনাতে প্রথমা বুক ক্যাফেতে কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই কর্মীর জুতায় মিলল ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রিমান্ডে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন আখতারুজ্জামান: পুলিশ কিংবদন্তি হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে ইয়ামাল: স্পেন কোচ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের এপিএস রাশেদুলের সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে প্রেস উইংয়ের ব‍্যাখ‍্যা

অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার
  • আপলোড সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার চিহ্নিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির তদন্তে দেখা গেছে, প্রয়োজনের তুলনায় কোটি কোটি বই অতিরিক্ত চাহিদা দেখিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের অপচয় করা হচ্ছিল, যা এবার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য দেশের সব উপজেলা থেকে পাঠ্যবইয়ের চাহিদা সংগ্রহ করে এনসিটিবি দেখেছে মোট প্রয়োজন দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১১ কপি বই। তবে আগের বছরের তুলনায় প্রায় এক কোটি বেশি চাহিদা আসায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।


এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালানো হলে দেখা যায়, প্রায় ৯৯ লাখ বইয়ের কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ বিভিন্ন উপজেলা থেকে অতিরিক্ত ও ভুয়া চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, কিছু মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং ছাপাখানা সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী চক্র এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তালিকাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।


এনসিটিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, গত একাধিক বছর ধরে প্রতি বছরই এক থেকে দেড় কোটি অতিরিক্ত বই ছাপানোর মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হয়েছে। তবে এবার যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার উপজেলায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি বইয়ের চাহিদা পাঠানোর তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে। যেমন পরশুরাম উপজেলায় আগের বছরের তুলনায় ১৭৯ শতাংশ বেশি বই চাওয়া হয়।


পরবর্তীতে নতুন করে চাহিদা যাচাইয়ের পর দেখা যায়, ৯৯ লাখেরও বেশি বইয়ের চাহিদা বাতিল হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, মাঠপর্যায়ে ভুয়া চাহিদা শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে, যার ফলে বড় অঙ্কের রাষ্ট্রীয় ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।


এদিকে নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে দুটি ছাপাখানার মালিককে ৩৮ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে এনসিটিবি। তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা