ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘দেশে চাঁদাবাজ ও মাদকের কোনো জায়গা হবে না’ মমতার বার্তাবাহক হওয়ার দাবি উড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর কৌশলগত সম্পর্কের পথে প্রথম পদক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ শ্রমিক নিহত ভোরে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে মাঠে নামছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বাবার হাত দিয়ে ঢুকে, মায়ের শরীর ভেদ করে গুলি লাগে ৭ মাসের শিশুর চোয়ালে সকাল ৯টার মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা নোয়াখালীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: কার্যালয় ও মোটরসাইকেলে আগুন মবের অনেক ঘটনায় সরকারদলীয় ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

টাকা বাড়লেও বাজেট বাস্তবায়ন হার আটকে আছে একই বৃত্তে

প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। অর্থবছরের শুরুতে বড় আকারের ব্যয়
  • আপলোড সময় : ৭ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
টাকা বাড়লেও বাজেট বাস্তবায়ন হার আটকে আছে একই বৃত্তে

প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। অর্থবছরের শুরুতে বড় আকারের ব্যয় পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলেও বছর শেষে তার উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তবায়ন ছাড়াই থেকে যায়। ফলে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অর্থনীতিবিদরা।


বিশ্লেষণে দেখা যায়, বছরের পর বছর ধরে বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেলেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সেই অনুপাতে ব্যয় বাড়ছে না। বরং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাজেটের আকার বড় হচ্ছে। উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের অংশ তুলনামূলকভাবে কমে যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম বাজেটে মোট বরাদ্দের বড় অংশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য রাখা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। বর্তমানে জাতীয় বাজেটের মোট আকার কয়েক লাখ কোটি টাকায় পৌঁছালেও উন্নয়ন ব্যয়ের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাজেট বাস্তবায়নের হার সাধারণত ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। অর্থাৎ ঘোষিত বাজেটের একটি বড় অংশ শেষ পর্যন্ত ব্যয় করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেট বাস্তবায়নের দুর্বলতার অন্যতম কারণ পরিকল্পনার ঘাটতি। কোন অঞ্চলের কী প্রয়োজন, জনসংখ্যার চাহিদা কী এবং কোন খাতে বিনিয়োগ বেশি জরুরি—এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনায় না আসায় অনেক প্রকল্প কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারে না।


চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসেও বাজেট বাস্তবায়নের গতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীর ছিল। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বাস্তবায়নের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা পুনর্বিন্যাস এবং প্রকল্প পুনর্গঠনের কারণে উন্নয়ন ব্যয়ে পরিবর্তনের প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের অভিমত, শুধু বাজেটের আকার বৃদ্ধি নয়, বরং বরাদ্দকৃত অর্থের কার্যকর ব্যবহার ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। অন্যথায় বড় বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইরান যুদ্ধের শিক্ষা নিয়ে তেলের কৌশলগত মজুত গড়ে তুলছে পাকিস্তান

ইরান যুদ্ধের শিক্ষা নিয়ে তেলের কৌশলগত মজুত গড়ে তুলছে পাকিস্তান