ঢাকা | |

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

লাইসেন্স বাতিল হওয়া রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীদের দ্রুত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত
  • আপলোড সময় : ১৩ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
  • আপডেট সময় : ১৩ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

লাইসেন্স বাতিল হওয়া রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীদের দ্রুত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বিষয়ে ঢাকার ছয়টি সরকারি হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তর ও চিকিৎসা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।


যেসব সরকারি হাসপাতালে এসব রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়। এরপর থেকেই হাসপাতাল থেকে রোগী স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


সূত্র অনুযায়ী, একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। তবে এখনো এনআইসিইউ, আইসিইউ ও সিসিইউতে থাকা প্রায় ৭০ জন সংকটাপন্ন রোগী রয়েছেন, যাদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন স্বজনরা। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কম খরচে জটিল চিকিৎসা দেওয়ার জন্য পরিচিত হওয়ায় অন্য হাসপাতালে একই সুবিধা পাওয়া নিয়ে তারা শঙ্কিত। একই সঙ্গে রোগী স্থানান্তরের সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে।


হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে এনআইসিইউতে প্রায় ৫০ জন নবজাতক এবং আইসিইউ ও এইচডিইউতে ১৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংকটাপন্ন এসব রোগীর কথা বিবেচনা করে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং ভবন সংস্কারের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা অব্যাহত রাখাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার। তাই রেফার করা রোগীদের কোনো ধরনের চিকিৎসা বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে