ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ‘খেলা এখনো শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে’ প্রথমবারের মতো এক মন্ত্রণালয় সামলাতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চয়ই কোনও প্ল্যান আছে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মন্ত্রী জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায়, সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের ‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

যুদ্ধবিমান জটিলতা, মার্কিন সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় তুরস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সংগ্রহে নতুন আশার আলো দেখছে দেশটি। বিশেষ
  • আপলোড সময় : ৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:৩ সময়
যুদ্ধবিমান জটিলতা, মার্কিন সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় তুরস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সংগ্রহে নতুন আশার আলো দেখছে দেশটি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অতিরিক্ত ইঞ্জিন সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা। আগামী ৭ ও ৮ জুলাই আঙ্কারায় ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন। এর আগেই তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘কান’ যুদ্ধবিমানের জন্য প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন সরবরাহের বিষয়ে নতুন করে আলোচনা জোরদার হয়েছে।


সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফর এবং দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ তুরস্কের জন্য ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের যুদ্ধবিমানসংক্রান্ত বিরোধের পূর্ণাঙ্গ সমাধান এখনই হচ্ছে না বলেও তারা মনে করছেন। ইস্তাম্বুলভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সিনান উলগেনের মতে, সম্মেলনের সময় তুরস্কের ‘কান’ যুদ্ধবিমানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্রায় ৪০টি ইঞ্জিন সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


তুরস্ক ইতোমধ্যে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করে যুদ্ধবিমানের কয়েকটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ সফলভাবে আকাশে উড়িয়েছে। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের জন্য আরও ইঞ্জিন প্রয়োজন হওয়ায় দেশটি দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ‘কান’ একটি আধুনিক দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমান, যা রাডারের নজর এড়িয়ে চলার সক্ষমতা রাখে। ভবিষ্যতে পুরোনো যুদ্ধবিমান বহরের পরিবর্তে এই দেশীয় প্রযুক্তির বিমান ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে আঙ্কারা। এর মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত যুদ্ধবিমান নির্মাতা দেশগুলোর কাতারে স্থান করে নিতে চায় তুরস্ক।


যদিও ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ইঞ্জিন ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে, তবে সেই প্রকল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আপাতত বিদেশি ইঞ্জিনের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে দেশটিকে। এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই ঘটনার জেরে তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ন্যাটো সম্মেলনে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস

ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস