ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান পাটওয়ারী’, দাবি মেঘনা আলমের অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন মাশরাফি বাফুফের সঙ্গে কোচের পরিকল্পনা মিলছে না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ‘এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়’ ইরান যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষতি ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি, সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

এস আলম গ্রুপের ১১টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

তীব্র তারল্য সংকট, ব্যাংক ঋণ–সংক্রান্ত জটিলতা এবং কাঁচামাল আমদানিতে অক্ষমতার কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের ১১টি
  • আপলোড সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১১:১৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১১:১৮ সময়
এস আলম গ্রুপের ১১টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

তীব্র তারল্য সংকট, ব্যাংক ঋণ–সংক্রান্ত জটিলতা এবং কাঁচামাল আমদানিতে অক্ষমতার কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের ১১টি ভারী শিল্পকারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে শিল্পগোষ্ঠীটির আর্থিক কার্যক্রমে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। ব্যাংক থেকে নতুন অর্থায়ন না পাওয়া এবং ঋণপত্র খুলে কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় উৎপাদন কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সব কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে চিনিশিল্প, ইস্পাত, সিমেন্ট, ভোজ্যতেল, ব্যাগ উৎপাদনসহ বিভিন্ন ভারী শিল্পকারখানা।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে এসব কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। তবে উৎপাদন কমে যাওয়ার পর কয়েক দফায় শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়। সর্বশেষ নোটিশের মাধ্যমে অবশিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও চাকরি থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং শুক্রবার থেকে সব ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, হঠাৎ চাকরি হারিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


কারখানার একাধিক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক সংকটের মধ্যেও শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ এবং উৎপাদন চালিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকিং সহায়তা, নগদ অর্থের সংকট এবং কাঁচামাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিল্প খাত–সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ হওয়া শুধু শ্রমিকদের কর্মসংস্থানেই নয়, স্থানীয় অর্থনীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং শিল্পখাতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান