ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
পে-স্কেল কার্যকর হলে বকেয়া বেতন কীভাবে পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, তবু মজুরিতে বৈষম্য ঢাকার চক্রাকার নৌপথে চালু হবে ওয়াটার বাস: নৌ পরিবহনমন্ত্রী বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দীর্ঘ হবে: মির্জা ফখরুল ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ডিজি সরকারের সমালোচনা অপরাধ নয়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বক্তব্য অপরাধ: তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি কোনো নির্দিষ্ট দলের পকেটে গেলে তাদের অপকর্মের দায় সংখ্যালঘুদের নিতে হয়: নাহিদ ইসলাম পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণহানি ৩, আক্রান্ত ৮৭২

পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, তবু মজুরিতে বৈষম্য

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী নারীরা সংসারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে
  • আপলোড সময় : ২ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪৪ সময়
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, তবু মজুরিতে বৈষম্য

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী নারীরা সংসারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু একই ধরনের শ্রম দিলেও তারা এখনও সমান মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মজুরি বৈষম্য তাদের জীবনে বাড়তি সংকট তৈরি করছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ওঁরাও, মাহাতো, সাঁওতাল, মুড়ারি, রবিদাস, কনকদাস, সিং, তেলি, তুড়ি ও বসাইকসহ প্রায় ১৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস। জীবিকার প্রয়োজনে এসব পরিবারের অধিকাংশ সদস্য কৃষিকাজ, দিনমজুরি ও বিভিন্ন শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত।


সংসারের ব্যয় মেটাতে নারীরাও প্রতিদিন মাঠে নেমে পুরুষ শ্রমিকদের মতোই কঠোর পরিশ্রম করছেন। উল্লাপাড়ার প্রতাপ গ্রামে একদল আদিবাসী নারী বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন। প্রতি বিঘা জমির জন্য নির্ধারিত পারিশ্রমিক থেকে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় হলেও, অনেক ক্ষেত্রেই একই কাজের জন্য পুরুষদের তুলনায় কম মজুরি পান তারা।


নারী শ্রমিকরা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সমান পরিশ্রম করেও মজুরিতে বৈষম্যের কারণে পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তবুও জীবিকার তাগিদে কম পারিশ্রমিকেই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষকদের মতে, আদিবাসী নারী শ্রমিকরা কৃষিকাজে দক্ষ ও দায়িত্বশীল। তবে নারী-পুরুষের মজুরির এই পার্থক্য বহু বছরের প্রচলিত বাস্তবতা, যা এখনও পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয়নি।


আদিবাসী উন্নয়ন সংগঠনের নেতারা বলছেন, কৃষিসহ বিভিন্ন শ্রমখাতে সমান কাজের বিপরীতে নারীরা প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত কম মজুরি পান। তারা এই বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়ে আসলেও নিয়োগদাতাদের অনীহা এবং অর্থনৈতিক অসহায়ত্বের কারণে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। তাদের মতে, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা গেলে শুধু আদিবাসী নারী শ্রমিকদের জীবনমানই উন্নত হবে না, বরং সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হামলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহার করবো: ট্রাম্প

হামলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহার করবো: ট্রাম্প